বাংলাদেশে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ ও ঋণপ্রবৃদ্ধি তীব্রভাবে কমে যাওয়ায় জিডিপি প্রবৃদ্ধি গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মার্চে বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪.৭২ শতাংশে, যা দেশের ইতিহাসে সর্বনিম্ন। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে জিডিপির অনুপাতে বেসরকারি বিনিয়োগ কমে ২২.০৩ শতাংশে নেমেছে, যা গত এক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাবে, ওই অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩.৪৯ শতাংশ, আগের বছরের ৪.২২ শতাংশের চেয়ে কম।
রাজনৈতিক অস্থিরতা, কলকারখানা বন্ধ, জ্বালানি সংকট ও উচ্চ সুদহার বিনিয়োগে স্থবিরতা সৃষ্টি করেছে। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর সরকার পরিবর্তন হলেও অর্থনৈতিক পরিবেশে তেমন উন্নতি হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা ঋণপ্রবৃদ্ধি হ্রাসকে হতাশাজনক বলে উল্লেখ করেছেন, তবে সরকার বন্ধ কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ না থাকলে কর্মসংস্থান ও জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত থাকবে। উচ্চ সুদহার, জ্বালানি সংকট ও বৈশ্বিক অস্থিরতা পুনরুদ্ধারের প্রধান প্রতিবন্ধক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।