Web Analytics

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত বর্তমানে এক গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। উচ্চমাত্রার খেলাপি ঋণ, ক্রমবর্ধমান মূলধন ঘাটতি এবং সরকারের অতিরিক্ত ঋণ নেওয়ার ফলে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ কমে গেছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খেলাপি ঋণের হার দাঁড়িয়েছে ৩৫.৭৩ শতাংশে, আর ২০২৪ সালে ব্যাংকগুলো ১,০৬,১৩১ কোটি টাকার প্রভিশন ঘাটতিতে পড়েছে। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, খাতটিকে পুনরুজ্জীবিত করতে জিডিপির অন্তত ১০ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ৫.৫ থেকে ৬ লাখ কোটি টাকা পুনঃমূলধনীকরণ প্রয়োজন। ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে সরকারের ব্যাংক ঋণ তিন গুণ বেড়ে ৫,৯৯,৪১৬ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, ফলে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি নেমে আসে ৬.০৩ শতাংশে।

প্রবন্ধে বলা হয়েছে, এটি শুধু ব্যাংকিং খাতের নয়, বরং জাতীয় অর্থনীতির অগ্রাধিকার সংকট। লেখক সম্পদ পুনরুদ্ধার কাঠামো, আইনি সংস্কার, কঠোর শর্তে পুনঃমূলধন, কর রেয়াত, জামানত ব্যবস্থার ডিজিটাল সংস্কার, সরকারি ঋণ নির্ভরতা হ্রাস এবং ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার উন্নয়নের আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, এসব উদ্যোগের সফলতা নির্ভর করবে বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যকর স্বাধীনতার ওপর, যা আর্থিক খাতে আস্থা ফিরিয়ে আনতে পারে।

15 Apr 26 1NOJOR.COM

খেলাপি ঋণ ও সরকারি ঋণ বৃদ্ধিতে ব্যাংকিং খাতের গভীর সংকট

নিউজ সোর্স

এখনই পদক্ষেপ নিন, নইলে পতন ঠেকানো কঠিন হবে | আমার দেশ

শরীফ জহীর
প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১০: ২৯
দেশের ব্যাংকিং খাত এখন এক কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। চারদিকে চাপ—উচ্চমাত্রার খেলাপি ঋণ, ক্রমাগত বাড়তে থাকা মূলধনের ঘাটতি, আর সরকারের অতিরিক্ত ঋণ নেওয়ার কারণে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগের সুযোগ কমে যাওয়া। এই তিন

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।