Web Analytics

তুরস্কের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আহমেত দাভুতোগলু রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন এবং তার বিরোধী ফিউচার পার্টি রাজনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ করছে। ২ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে তিনি এই সিদ্ধান্তকে আত্মসমর্পণ নয়, দেশের ‘দূষিত রাজনৈতিক পরিবেশ’ থেকে নিজেকে দূরে রাখার পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। একসময় প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়েপ এরদোয়ানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী দাভুতোগলু পরে তাঁর তৈরি রাজনৈতিক ব্যবস্থার সমালোচক হন।

শিক্ষাবিদ দাভুতোগলু ‘স্ট্র্যাটেজিক ডেপথ’ তত্ত্বের মাধ্যমে তুরস্কের পররাষ্ট্রনীতিতে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি আনার চেষ্টা করেন। তিনি ২০০৯ সালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হন। তাঁর সময়ে ‘প্রতিবেশীদের সঙ্গে শূন্য সমস্যা’ নীতির আওতায় আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে তুরস্কের কূটনৈতিক উপস্থিতি বাড়ে। তবে সিরিয়ার যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তাঁর পররাষ্ট্রনীতি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে।

এরদোয়ানের সঙ্গে ক্ষমতা ও নীতিগত মতপার্থক্যের জেরে দাভুতোগলু ২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়েন এবং পরে ফিউচার পার্টি গঠন করেন। বিশ্লেষকদের মতে, স্বাধীন সাংগঠনিক ভিত্তি গড়তে না পারা ও বিরোধী রাজনীতির সীমাবদ্ধতায় দলটি উল্লেখযোগ্য সমর্থন পায়নি। ২০২৩ সালের নির্বাচনে সিএইচপির প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় দলটির নিজস্ব পরিচয় আরও দুর্বল হয়।

03 Aug 26 1NOJOR.COM

দাভুতোগলুর ফিউচার পার্টি কার্যক্রম বন্ধ করছে; এরদোয়ানকে চ্যালেঞ্জে ব্যর্থতার কারণ বিশ্লেষণ

নিউজ সোর্স

কেন এরদোয়ানকে চ্যালেঞ্জ করতে ব্যর্থ হলেন দাভুতোগলু | আমার দেশ

আমার দেশ অনলাইন
প্রকাশ : ০২ আগস্ট ২০২৬, ১৬: ০৪আপডেট : ০২ আগস্ট ২০২৬, ১৬: ১৬
একসময় তুরস্কের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন আহমেত দাভুতোগলু। এই শিক্ষাবিদ শতাব্দীর শুরুতে দেশটির উচ্চাভিলাষী পররাষ্ট্রনীতি গঠনে সহায়তা করেছিলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।