Web Analytics

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র, শ্রম ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক গোয়েন্দা প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে যে, জ্বালানি সংকট ও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট শ্রমিক অসন্তোষকে রাজনৈতিক স্বার্থান্বেষী মহল সরকারবিরোধী অস্থিতিশীলতা তৈরিতে ব্যবহার করতে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান–যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে এবং ১৩ এপ্রিল ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শিল্পকারখানার উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পোশাক খাতে উৎপাদন প্রায় ৩০ শতাংশ কমে গেছে, ফলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি কারখানাগুলো লোকসান, শ্রমিক ছাঁটাই ও বেতন বিলম্বের ঝুঁকিতে রয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের বার্ষিক জ্বালানি তেলের চাহিদা ৮০–৮৫ লাখ টন, যার তিন-চতুর্থাংশই ডিজেল। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় অপরিশোধিত তেল আমদানি বিলম্বিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তুলা ও সুতার দাম বৃদ্ধির কারণে স্থানীয় উৎপাদন ব্যয়ও বেড়েছে, যা বস্ত্র ও পোশাক শিল্পে চাপ সৃষ্টি করছে।

সংকট মোকাবিলায় প্রতিবেদনে সীমিত আকারে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’, রাত ৮টার পর আলোকসজ্জা বন্ধ, যানবাহনে জোড়-বিজোড় পদ্ধতি, এবং ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পে আর্থিক সহায়তার মতো পদক্ষেপের সুপারিশ করা হয়েছে।

09 May 26 1NOJOR.COM

জ্বালানি সংকটে শ্রমিক অসন্তোষকে রাজনৈতিকভাবে কাজে লাগানোর আশঙ্কা গোয়েন্দা প্রতিবেদনে

নিউজ সোর্স

শ্রমিক অসন্তোষে ফায়দা লুটতে সক্রিয় স্বার্থান্বেষী মহল | আমার দেশ

রোহান রাজিব
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ১০: ৪৮আপডেট : ০৯ মে ২০২৬, ১০: ৫৯
জ্বালানি সংকট এবং আন্তর্জাতিক বাজারে সুতার মূল্যবৃদ্ধির কারণে দেশের পোশাক খাতে উৎপাদন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সঙ্গে সামগ্রিক উৎপাদন প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। উৎপাদন ব্য

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।