Web Analytics

মাদ্রাসা শিক্ষক তাজুল ইসলাম বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ জবানবন্দি দিয়ে জানান, তাকে ডিজিএফআই অপহরণ করে এক বছর আট মাস নির্জন কক্ষে আটকে রেখেছিল। এ সময় তাকে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয় এবং জঙ্গি কার্যক্রমে জড়িত থাকার স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য করা হয়। তিনি বলেন, ২০১৫ সালের এপ্রিল মাসে মানিকগঞ্জের মাদ্রাসা থেকে ১০ থেকে ১৫ জন ব্যক্তি তাকে তুলে নিয়ে যায় এবং পরে জানতে পারেন ডিজিএফআই তাকে আটক করেছিল।

জবানবন্দিতে তিনি আরও জানান, তাকে র‌্যাব-৪ ও র‌্যাব-১০ চিহ্নিত কক্ষে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে চট্টগ্রামের আকবর শাহ থানায় সোপর্দ করা হয়। তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন ও অস্ত্র আইনে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়। আট বছর কারাভোগের পর ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তিনি জামিনে মুক্তি পান। তাজুল শেখ হাসিনা, তার সামরিক উপদেষ্টা তারেক সিদ্দিকী এবং ডিজিএফআই কর্মকর্তাদের বিচারের দাবি জানান।

এই মামলা আওয়ামী লীগ সরকারের সময় গুমের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে চলছে।

19 Jun 26 1NOJOR.COM

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ডিজিএফআই কর্তৃক গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে শিক্ষকের জবানবন্দি

নিউজ সোর্স

জঙ্গি হিসেবে স্বীকারোক্তি দিতে কয়েকজন মিলে নির্যাতন করত | আমার দেশ

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : ১৮ জুন ২০২৬, ২০: ০৪
মাদ্রাসা শিক্ষক তাজুল ইসলামকে গুম করে এক বছর আট মাস নির্জন কক্ষে আটকে রাখা হয়। এ সময় তাকে নির্মম নির্যাতন করা হতো। জিজ্ঞাসাবাদের সময় কয়েকজন ব্যক্তির নাম বলে তাদের সম্পর্কে জানতে চাওয়া হতো; জঙ্গি কার্যক

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।