Web Analytics

হাইকোর্ট ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ বহাল রেখেছে, যেখানে বলা হয়েছে কোনো পুরুষ প্রথম স্ত্রীর অনুমতি নিয়েও সহজে দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারবেন না। এজন্য নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে সালিশি কাউন্সিলের লিখিত অনুমোদন নিতে হবে। আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, এই রায়ে নারী ও পুরুষ উভয়ের পারিবারিক অধিকার সমানভাবে সংরক্ষিত হয়েছে এবং বিদ্যমান আইন কার্যকর থাকবে।

আইন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কিছু গণমাধ্যম ভুলভাবে প্রচার করেছে যে দ্বিতীয় বিয়েতে প্রথম স্ত্রীর অনুমতি লাগবে না। তারা বলেছেন, হাইকোর্ট এমন কোনো রায় দেয়নি এবং এ ধরনের সংবাদ আদালত অবমাননার শামিল। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরাও এ বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদনে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, আদালতের রায় ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং প্রকৃতপক্ষে ১৯৬১ সালের আইনই বহাল রয়েছে।

আইন মন্ত্রণালয় সতর্ক করেছে যে, ভুল সংবাদ প্রচার আদালত সম্পর্কে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। আইনজীবীরা সংবাদ প্রকাশের আগে যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে আদালতের রায় সম্পর্কে ভুল ধারণা না ছড়ায়।

23 Jan 26 1NOJOR.COM

হাইকোর্টের রায়: দ্বিতীয় বিয়েতে সালিশি কাউন্সিলের অনুমোদন বাধ্যতামূলক

নিউজ সোর্স

পুরুষের জন্য দ্বিতীয় বিয়ে এত সহজ নয় | আমার দেশ

এম এ নোমান
প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯: ০৮
এম এ নোমান
হাইকোর্ট ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশটি বহাল রাখার পক্ষে রায় দিয়েছে। এতে কোনো পুরুষ চাইলেই যেনতেনভাবে প্রথম স্ত্রীর অনুমতি নিয়েও দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারবেন না। এজন্য তাকে নির্দিষ্ট ফ

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।