Web Analytics

১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় দায়ের করা বেসামরিক হত্যা মামলায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ২০ বছর ধরে ১৭৩ দফা সময় নিয়েও অভিযোগপত্র দাখিল করতে পারেনি। অন্যদিকে একই ঘটনায় সামরিক আদালতে দ্রুত বিচার শেষে ১৩ জন সেনা কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়। ২০০১ সালে সিআইডি সাক্ষী ও প্রমাণের অভাব দেখিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়, যার মাধ্যমে মামলাটি কার্যত শেষ হয়ে যায়। সম্প্রতি পলাতক আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেন গ্রেপ্তার হওয়ায় আবারও আলোচনায় এসেছে এই মামলাটি।

মামলার নথি অনুযায়ী, ১৯৮১ সালের জুনে এক আন্তঃসংস্থা সভায় সিদ্ধান্ত হয় সেনাবাহিনী তদন্ত করলে পুলিশের তদন্তের প্রয়োজন হবে না। ফলে বেসামরিক তদন্ত কার্যত স্থগিত হয়ে যায়। রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি মফিজুল হক ভূঁইয়া জানান, মামলার নথি উদ্ধার করা গেলে নতুন আইনি পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হতে পারে।

তদন্ত কর্মকর্তাদের পরিচয়, আলামতের অবস্থান এবং সার্কিট হাউসে নিরাপত্তা ব্যর্থতার বিচার বিভাগীয় প্রতিবেদন এখনো অজানা রয়ে গেছে।

22 Jul 26 1NOJOR.COM

১৭৩ দফা সময়েও জিয়া হত্যা মামলায় অভিযোগপত্র দিতে ব্যর্থ সিআইডি

নিউজ সোর্স

সিআইডি ১৭৩ দফা সময় নিয়েও অভিযোগপত্র দিতে পারেনি | আমার দেশ

জমির উদ্দিন, চট্টগ্রাম
প্রকাশ : ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫: ২১
একই হত্যাকাণ্ড কিন্তু দুটি ভিন্ন বিচারিক পথ। ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর সামরিক আদালতে অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের দ্রুত বিচার করে ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। অন্যদিক

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।