Web Analytics

রয়টার্সের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, চীন প্রশান্ত, ভারত ও আর্কটিক মহাসাগরজুড়ে সাগরতলের মানচিত্র তৈরি ও পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম চালাচ্ছে। ওশান ইউনিভার্সিটি অব চায়নার গবেষণা জাহাজ ‘ডং ফাং হং ৩’ ২০২৪ ও ২০২৫ সালে তাইওয়ান, গুয়াম এবং ভারত মহাসাগরের কৌশলগত এলাকায় বারবার অভিযান চালায়। বিশ্ববিদ্যালয়টি বলছে, জাহাজটি মাটি ও জলবায়ু গবেষণার কাজ করছিল, তবে এটি গভীর সমুদ্রের মানচিত্র তৈরিতেও যুক্ত ছিল এবং পানির নিচে বস্তু শনাক্তকারী সেন্সর পরীক্ষা করেছে।

নৌ বিশেষজ্ঞ ও মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, এই তথ্য চীনের সাবমেরিন যুদ্ধ সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। কার্যক্রমটি মূলত ফিলিপাইন, গুয়াম ও হাওয়াইয়ের মার্কিন ঘাঁটির আশেপাশে কেন্দ্রীভূত। বিশ্লেষকরা একে চীনের ‘সিভিল-মিলিটারি ফিউশন’ নীতির অংশ হিসেবে দেখছেন, যেখানে বেসামরিক গবেষণা ও সামরিক প্রযুক্তি একত্রে কাজ করে।

চীনা গবেষকরা এই প্রকল্পকে ‘ট্রান্সপারেন্ট ওশান’ নামে অভিহিত করেছেন, যার লক্ষ্য সমুদ্রের অভ্যন্তরীণ অবস্থা রিয়েল-টাইমে জানা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্যোগ চীনের সাবমেরিন অপারেশনে কৌশলগত সুবিধা এনে দিতে পারে এবং যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

25 Mar 26 1NOJOR.COM

চীনের সাগরতল মানচিত্র প্রকল্পে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ উদ্বেগ বাড়ছে

নিউজ সোর্স

সাবমেরিন যুদ্ধের উদ্বেগের মধ্যেই সাগরতলের মানচিত্র বানাচ্ছে চীন | আমার দেশ

আমার দেশ অনলাইন
প্রকাশ : ২৪ মার্চ ২০২৬, ১৮: ৪৯
প্রশান্ত মহাসাগর, ভারত মহাসাগর এবং আর্কটিক মহাসাগরজুড়ে পানির নিচের বিশাল আকারের মানচিত্র তৈরি ও পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম চালাচ্ছে চীন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিস্তারিত সামুদ্রিক তথ্য ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও তার

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।