Web Analytics

ইসরাইলের সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কয়েক দশকে দেশটির রাজনীতি, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গিতে গভীর প্রভাব রেখেছেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে তিনি আবার ক্ষমতায় ফেরার চেষ্টা করছেন। সমর্থকেরা তাঁকে ‘রাজা বিবি’ বলেন, আর বিরোধীরা তাঁকে নিরাপত্তা ব্যর্থতা ও দুর্নীতির প্রতীক মনে করেন। তাঁর নেতৃত্বে রাজনীতি আরও উগ্র ইহুদিপন্থার দিকে ঝুঁকেছে এবং ধর্মীয় ও উগ্রপন্থি শক্তির প্রভাব বেড়েছে।

নব্বইয়ের দশকের শুরুতে ফিলিস্তিন ও সিরিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তির বিরোধিতা করে নেতানিয়াহু জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রীয় চরিত্র হয়ে ওঠেন। কয়েকজন ইসরাইলি রাজনৈতিক নেতা অভিযোগ করেছেন, ১৯৯৫ সালে প্রধানমন্ত্রী ইৎজাক রবিন হত্যার আগে তাঁর উসকানিমূলক বক্তব্য পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রেখেছিল; নেতানিয়াহু এ দায় অস্বীকার করেন। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনী সাফল্যের পর ধর্মীয় ও উগ্র ইহুদিপন্থি দলগুলো ক্ষমতার কেন্দ্রে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

প্রতিবেদনে ২০১৮ সালের জাতিরাষ্ট্র আইন, বিচার বিভাগে পরিবর্তন এবং অনুগতদের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগকে স্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০১৯ সালে করা তিনটি দুর্নীতির মামলায় নেতানিয়াহুর বিচার চলছে, যা তিনি অস্বীকার করেন। গাজায় কথিত যুদ্ধাপরাধ নিয়ে আইসিসির গ্রেপ্তারি পরোয়ানার মুখেও তিনি রয়েছেন। সমালোচকেরা বিভাজন ও বিচ্ছিন্নতা বৃদ্ধির অভিযোগ তুললেও সমর্থকেরা তাঁকে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নকারী নেতা মনে করেন।

24 Oct 26 1NOJOR.COM

নেতানিয়াহুর শাসনে ইসরাইলের রাজনীতি, প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রভাবের পরিবর্তন

নিউজ সোর্স

যেভাবে ইসরাইলের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও রাজনীতিতে নিজের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন নেতানিয়াহু

ইসরাইলের সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। কয়েক দশকের রাজনৈতিক জীবনে তিনি দেশটির রাজনীতি, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গিতে গভীর প্রভাব ফেলেছেন। তার নেতৃত্বে ইসরাইলের রাজনীতি আরো উগ্র ইহুদিপন্থার দিকে ঝুঁকেছে। ধর্মীয় ও

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।