Web Analytics

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন শেষে আলোচনায় এসেছে কোচবিহারের সাবেক ছিটমহলবাসীদের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তন। ২০১৫ সালের ভারত-বাংলাদেশ স্থলসীমা চুক্তির মাধ্যমে ১৬২টি ছিটমহল বিনিময়ের পর নাগরিকত্ব পাওয়া এই মানুষরা একসময় নাগরিক সুবিধাবঞ্চিত ছিলেন। পোয়াতুরকুঠি ও মশালডাঙ্গার মতো গ্রামগুলোতে এখন বিদ্যুৎ, রাস্তা ও স্কুল এসেছে, তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিশ্রুত অনেক সুবিধা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি।

গ্রামবাসীদের বক্তব্যে উঠে এসেছে জমির দলিল না পাওয়া, কর্মসংস্থানের অভাব এবং রাজনৈতিক বিভাজনের হতাশা। একসময় নাগরিকত্বের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করা মানুষরা এখন তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি ও বামপন্থি দলে বিভক্ত। কেউ কেউ বলছেন, স্থানীয় রাজনৈতিক চাপ ও ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে এই বিভাজন তৈরি হয়েছে, আবার অনেকে মনে করেন ঐক্য হারানোর ফলে দাবিগুলো আদায় কঠিন হয়ে পড়েছে।

যদিও অবকাঠামো উন্নয়ন হয়েছে, তবু সাবেক ছিটমহলবাসীদের প্রত্যাশিত সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। তাদের গল্প এখন অগ্রগতি ও হতাশার মিশ্র প্রতিচ্ছবি।

03 May 26 1NOJOR.COM

২০২৬ সালের ভোটের পর রাজনীতিতে বিভক্ত সাবেক ছিটমহলবাসীরা

নিউজ সোর্স

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে সাবেক ছিটমহলবাসীদের প্রভাব | আমার দেশ

আমার দেশ অনলাইন
প্রকাশ : ০৩ মে ২০২৬, ০৮: ৩৭আপডেট : ০৩ মে ২০২৬, ০৮: ৫২
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গ্রহণ পর্ব শেষ হয়েছে, অপেক্ষা এখন ভোটের ফলাফলের। এই প্রতিবেদনও বিধানসভার ভোট নিয়েই, তবে এই কাহিনির শুরু প্রায় দুই দশক আগে।
ভোটের খবরাখবর নিত

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।