Web Analytics

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফর দেশের ঐতিহাসিক ‘লুক ইস্ট’ বা পূর্বমুখী পররাষ্ট্রনীতির আধুনিক পুনর্জাগরণের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এই সফরগুলোকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক নির্ভরতা বৈচিত্র্যময় করার এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রবন্ধে বলা হয়েছে, সফরগুলো বাংলাদেশের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন ও ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতির নতুন দিকনির্দেশনা দিচ্ছে।

প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭০-এর দশকে চীন, জাপান ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করে এই নীতির ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। পরবর্তীতে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকার এই নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারতের ওপর অতিনির্ভরশীল পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচনা সৃষ্টি হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই নতুন উদ্যোগকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রবন্ধে বলা হয়েছে, মালয়েশিয়া সফর মূলত অর্থনৈতিক কূটনীতি, শ্রমবাজার পুনরুজ্জীবন, সেমিকন্ডাক্টর ও হালাল অর্থনীতি সহযোগিতার ওপর কেন্দ্রীভূত, আর চীন সফর তিস্তা প্রকল্প, গভীর সমুদ্রবন্দর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা ও বিনিয়োগ আকর্ষণের সঙ্গে সম্পর্কিত। লেখকের মতে, এই নীতির পুনঃপ্রতিষ্ঠা বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন, কৌশলগত ভারসাম্য ও বৈশ্বিক মর্যাদা রক্ষায় অপরিহার্য।

24 Jun 26 1NOJOR.COM

মালয়েশিয়া ও চীন সফরে তারেক রহমানের নেতৃত্বে ‘লুক ইস্ট’ কূটনীতির পুনর্জাগরণ

নিউজ সোর্স

পূর্বমুখী পররাষ্ট্রনীতির উত্তরাধিকার | আমার দেশ

আবদুল লতিফ মাসুম
প্রকাশ : ২৪ জুন ২০২৬, ১১: ১৩আপডেট : ২৪ জুন ২০২৬, ১১: ২০
একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের অস্তিত্বের রক্ষাকবচ এবং সমৃদ্ধির চাবিকাঠি হলো তার দূরদর্শী পররাষ্ট্রনীতি। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির ইতিহাসে এমন কিছু কৌশলগত সিদ্ধান্ত রয়েছে, য

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।