Web Analytics

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন বা বিপিসি বেসরকারি খাতে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি ও বিপণনের অনুমতি দেওয়ার বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ে গোপনীয় প্রতিবেদন পাঠিয়েছে। ১১ সদস্যের বিশেষ কমিটির মতামতের ভিত্তিতে তৈরি প্রতিবেদনটি ১৯ জুলাই পাঠানো হয়। সরকার যখন বেসরকারি পর্যায়ে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানি, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিপণন নীতিমালা ২০২৬ প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে, তখন এ প্রতিবেদন দেওয়া হলো।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেসরকারি অংশগ্রহণে কৃত্রিম সংকট, মজুতদারি, সরবরাহ বিঘ্ন, সিন্ডিকেট, ভেজাল এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিসহ নয় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে বা ডলারের সংকট হলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আমদানি কমাতে বা বিলম্বিত করতে পারে বলে কমিটির আশঙ্কা। এতে সরকারি রাজস্ব কমবে এবং পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েলের ওপর চাপ পড়বে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

দেশে বছরে জ্বালানি তেলের চাহিদা ৬৮ থেকে ৭০ লাখ টন; এর প্রায় ৬৫ শতাংশই ডিজেল। বিপিসি জানিয়েছে, তাদের দেশব্যাপী মজুত, পরিবহন ও বিপণন অবকাঠামো রয়েছে এবং গত পাঁচ বছরে সরকারকে ৭১ হাজার ৮৭২ কোটি টাকা রাজস্ব দিয়েছে। কমিটি সরকারি নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে ২০২৩ সালের নীতিমালার আওতায় বেসরকারি রিফাইনারি ও অপরিশোধিত তেল আমদানিতে উৎসাহ দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

06 Sep 26 1NOJOR.COM

পরিশোধিত জ্বালানি আমদানি ও বিপণনে সরকারি নিয়ন্ত্রণ রাখার সুপারিশ বিপিসির

নিউজ সোর্স

বেসরকারি খাতে জ্বালানির আমদানি-বিপণন ঝুঁকিপূর্ণ

বেসরকারি খাতে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি ও বিপণনের নীতিমালা তৈরির আগেই সরকারকে সতর্ক করে প্রতিবেদন দিয়েছে বিপিসি। সব বিপণন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তা বিপিসির বিপণনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত ১১ সদস্যের বিশেষ কমিটির মতামতের ভিত্তি

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।