Web Analytics

বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার ফুলবাড়ী, হাটশেরপুর, কাজলা, কনিবাড়ী, চালুয়াবাড়ি ও বোহাইল ইউনিয়নে আশ্রয়ণ প্রকল্পের দুই হাজারের বেশি ঘর অধিকাংশই খালি পড়ে আছে। যোগাযোগব্যবস্থার দুর্বলতা, জলাবদ্ধতা, স্যানিটেশন সমস্যা, সুপেয় পানির সংকট এবং বরাদ্দে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগকে এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন স্থানীয়রা। পরিত্যক্ত অনেক ঘর মাদকসেবীদের আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

সরেজমিনে তালাবদ্ধ ও অযত্নে পড়ে থাকা ঘর, দেয়ালের ফাটল এবং ঝোপঝাড়ে ভরা পরিবেশ দেখা গেছে। চালুয়াবাড়িতে ২০০ ঘরের মধ্যে মাত্র ছয়টিতে মানুষ থাকছেন। পাশের বোহাইল ইউনিয়নে প্রায় দুই হাজার ঘরের মধ্যে মাত্র ১২টিতে পরিবার বসবাস করছে। কোথাও বরাদ্দপ্রাপ্ত ব্যক্তির নিজস্ব বাড়ি থাকায়ও তারা প্রকল্পের ঘরে থাকছেন না।

কনিবাড়ী ইউনিয়নের চরে ২০১৮ সালে নির্মিত ৫০০ আধাপাকা টিনের ঘরের মধ্যে মাত্র ১২টিতে পরিবার থাকে। বাসিন্দারা কাজের সুযোগ, পানি ও চিকিৎসাসেবার সংকট এবং সামাজিক তুচ্ছতাচ্ছিল্যের কথা বলেছেন। প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম বলেন, প্রকৃত আগ্রহী ভূমি ও গৃহহীন পরিবারগুলো কাজের সন্ধানে চলে যাওয়ায় ঘরগুলো খালি রয়েছে।

15 Oct 26 1NOJOR.COM

সারিয়াকান্দিতে সেবা ও কর্মসংস্থানের সংকটে আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধিকাংশ ঘর খালি

নিউজ সোর্স

আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘর পেয়েও থাকছে না কেউ

সারিয়াকান্দি উপজেলার ফুলবাড়ী, হাটশেরপুর, কাজলা, কনিবাড়ী, চালুয়াবাড়ি ও বোহাইল ইউনিয়নে গৃহ ও ভূমিহীন মানুষের দুই হাজারেও বেশি ঘর আছে আশ্রয়ণ প্রকল্পে। এসব ঘর গত বিভিন্ন অর্থবছরে নির্মাণ করা হয়। যোগাযোগব্যবস্থা, জলাবদ্ধতা, স্যানিটেশন, সুপেয় পানির সংকট, ব

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।