Web Analytics

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের অধীনে ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত খুলনা পরমাণু চিকিৎসাকেন্দ্রে (ইনমাস) অনিয়ম, দুর্নীতি ও পক্ষপাতের অভিযোগ উঠেছে। সকাল সাড়ে ৮টার আগেই সিরিয়াল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দূর-দূরান্ত থেকে আসা রোগীরা চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। জরুরি টেস্টের রিপোর্ট পেতে ৮-১০ দিন সময় লাগছে এবং অনেক রোগীকে প্রাইভেট ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠানো হচ্ছে। পরিচালক ডা. ঝর্ণা দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি সরকারি প্রতিষ্ঠানে বসে ইসকন সম্পর্কিত কার্যক্রম পরিচালনা করছেন এবং ইসকন সদস্যদের বিনামূল্যে টেস্ট ও দ্রুত রিপোর্ট দিচ্ছেন, অথচ সাধারণ রোগীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

কর্মচারীরা অভিযোগ করেছেন, টানা ২১ বছর একই কেন্দ্রে থাকার কারণে ডা. দাসের স্বেচ্ছাচারিতা ও অনিয়ম বেড়েছে। ১৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী একযোগে বদলির আবেদন করেছেন। কেনাকাটায় দুর্নীতি ও প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলার অভিযোগে পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ও অর্থ পরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। আধুনিক যন্ত্রপাতি থাকা সত্ত্বেও প্রতিদিন সীমিত সংখ্যক টেস্ট হচ্ছে এবং পরিচালক সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন।

অভিযোগের বিষয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ডা. দাস ছুটিতে আছেন বলে জানানো হয় এবং তিনি মন্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানান।

30 Jun 26 1NOJOR.COM

খুলনা পরমাণু চিকিৎসাকেন্দ্রে ইসকন সংশ্লিষ্ট পরিচালকের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও পক্ষপাতের অভিযোগ

নিউজ সোর্স

ইসকন সদস্যরা ফ্রি চিকিৎসা পেলেও সাধারণ রোগীদের চরম ভোগান্তি | আমার দেশ

এহতেশামুল হক শাওন, খুলনা
প্রকাশ : ০১ জুলাই ২০২৬, ০৩: ০২
নিখুঁতভাবে রোগ নির্ণয় এবং থাইরয়েড ও ক্যানসারসহ দুরারোগ্য ব্যাধির চিকিৎসা দিতে প্রতিষ্ঠিত খুলনা পরমাণু চিকিৎসাকেন্দ্র এখন নিজেই রোগাক্রান্ত। সকাল সাড়ে ৮টার আগেই সিরিয়াল নেওয়া বন্ধ হওয়ায় দূর-দূরান

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।