Web Analytics

প্রবন্ধে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অসাধারণ ভূমিকার কথা তুলে ধরা হয়েছে। সীমিত সুযোগ-সুবিধা ও মৃত্যুভয়ের মধ্যেও চিকিৎসক, শিক্ষার্থী ও স্বাস্থ্যকর্মীরা আহতদের সেবা দিতে অবিচল ছিলেন। সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. শামসুদ্দীন আহমদ যুদ্ধের আগেই জরুরি ব্লাড ব্যাংক ও ইমার্জেন্সি স্কোয়াড গঠন করেন, যা পরে বহু প্রাণ বাঁচাতে সহায়ক হয়। ৯ এপ্রিল পাকিস্তানি বাহিনী হাসপাতালে হামলা চালিয়ে ডা. শামসুদ্দীন ও তার সহকর্মীদের হত্যা করে, যা মুক্তিযুদ্ধের এক ভয়াবহ অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত।

এই প্রতিষ্ঠানের অবদান শহীদ হওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। অনেক শিক্ষার্থী ভারতে গিয়ে মেডিকেল কোরে যোগ দেন, শরণার্থী শিবির ও মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্পে চিকিৎসা দেন, কেউ কেউ সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেন। কর্মচারীরা গোপনে ওষুধ ও সরঞ্জাম মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে পৌঁছে দিতেন। হাসপাতাল প্রাঙ্গণেই শহীদদের দাফন করা হয়, যা এখন স্মৃতিসৌধ।

প্রবন্ধে বলা হয়েছে, এই আত্মত্যাগ এখনো জাতীয়ভাবে যথাযথ স্বীকৃতি পায়নি। লেখক আহ্বান জানিয়েছেন, এই বীরত্ব ও মানবিকতার ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে।

30 Mar 26 1NOJOR.COM

মুক্তিযুদ্ধে মানবতার সেবায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকদের অমর অবদান

নিউজ সোর্স

যে হাসপাতালকে যুদ্ধ থামাতে পারেনি | আমার দেশ

অধ্যাপক ডা. জিয়াউর রহমান চৌধুরী
প্রকাশ : ৩০ মার্চ ২০২৬, ১১: ২৬আপডেট : ৩০ মার্চ ২০২৬, ১১: ৩৯
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস শুধু রণাঙ্গনের সাহসিকতার গল্প নয়; এটি মানবতা, দায়িত্ববোধ এবং আত্মত্যাগের এক গভীর মহাকাব্য। এই মহাকাব্যের এক অনন্য কিন্তু তুলন

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।