Web Analytics

বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় শেখ হাসিনার একটি বিতর্কিত ক্যারিকেচার প্রদর্শনের পর তীব্র অভ্যন্তরীণ সংকটে পড়েছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে ‘দানবীয়’ রূপে উপস্থাপন করা ওই চিত্র প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়া নিয়ে সংগঠনের ভেতরে দ্বন্দ্ব চরমে ওঠে। হাসিনাপন্থি বামপন্থি, সাংবাদিক ও কর্মীরা এ ঘটনাকে ‘দেশবিরোধী চক্রান্ত’ বলে সমালোচনা করেন। এর ফলে উদীচী এখন দুই ভাগে বিভক্ত—একটি অংশ মাহমুদ সেলিম ও অমিত রঞ্জন দের নেতৃত্বে, অন্যটি হাবিবুল আলম ও জামসেদ আনোয়ার তপনের নেতৃত্বে।

১৯৬৮ সালে সত্যেন সেন ও রণেশ দাশগুপ্তের প্রতিষ্ঠিত উদীচী শুরু থেকেই প্রগতিশীলতার কথা বললেও, দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় প্রভাব ও ইসলামোফোবিয়া ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে। সমালোচকদের মতে, শেখ হাসিনার শাসনামলে সংগঠনটি জনগণের ভোটাধিকার বা দমননীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা নেয়নি। সাম্প্রতিক বিভক্তি সেই দীর্ঘদিনের মতাদর্শিক দ্বন্দ্বেরই বহিঃপ্রকাশ।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উদীচীর এই ভাঙন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ভারত-নির্ভর রাজনীতির অবসানের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

04 Apr 26 1NOJOR.COM

শেখ হাসিনার ক্যারিকেচার বিতর্কে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীতে গভীর বিভক্তি

নিউজ সোর্স

প্রগতির নামে দিল্লি-তোষণ, ভাঙছে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী | আমার দেশ

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৯: ৩৬আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৯: ৫৫
বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ‘প্রগতিশীলতার’ সাইনবোর্ড ব্যবহার করে দীর্ঘকাল ধরে ভারতীয় ন্যারেটিভ ও ইসলামোফোবিয়া ছড়িয়ে আসা ‘বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী’ এখন চরম অস্তিত্ব

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।