Web Analytics

বাংলাদেশ সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পণ্য ও সেবা মিলিয়ে ৬৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, তবে তীব্রতর গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট এ লক্ষ্য অর্জনকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির সম্প্রতি লক্ষ্যটি ঘোষণা করেন। এর মধ্যে পণ্য রপ্তানি থেকে ৫৫ দশমিক ২ বিলিয়ন এবং সেবা খাত থেকে ৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার আয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। তৈরি পোশাক খাত থেকে ৪৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি-জুলাই সময়ে রপ্তানি আয় ছিল প্রায় ২৪ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২৫ সালের একই সময়ের ২৪ দশমিক ০৮ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে মাত্র শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ বেশি। মাসভিত্তিক আয় ছিল অস্থির; ফেব্রুয়ারি, মার্চ ও মে মাসে পতন হলেও এপ্রিল ও জুনে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি হয়। জুলাইয়ে আয় ৪ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলারে উঠলেও তা আগের বছরের একই মাসের তুলনায় শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ কম এবং পোশাক রপ্তানি কমে ১ দশমিক ৯২ শতাংশ।

বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম ব্যাংক গ্যারান্টির বিপরীতে কিছু রপ্তানিকারকের শুল্কমুক্ত কাঁচামাল আমদানির সুযোগ এবং করনীতির পরিবর্তনকে স্বাগত জানান। তবে তিনি গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট, ব্যাংক খাতের অমীমাংসিত সমস্যা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি আয় ছিল প্রায় ৪৮ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় শূন্য দশমিক ৫৮ শতাংশ কম।

20 Aug 26 1NOJOR.COM

জ্বালানি সংকট ও অস্থির রপ্তানি ৬৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যকে চ্যালেঞ্জে ফেলেছে

নিউজ সোর্স

জ্বালানি সংকটে রপ্তানি খাতে বড় ধাক্কা, ৬৩ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য চ্যালেঞ্জে | আমার দেশ

সোহেল রহমান
প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৬, ১০: ৩২
২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে দীর্ঘ দেড় যুগের রাজনৈতিক কর্তৃত্ববাদ শাসনের অবসান ঘটে। এরপর অন্তর্বর্তীকালীন পর্ব শেষে নির্বাচিত সরকারের অধীনে নতুন অর্থনৈতিক বাস্তবতায় যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ। দায়িত্ব নে

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।