Web Analytics

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম, তুমব্রু ও ফুলতলী পর্যন্ত ২৮ কিলোমিটার সীমান্ত করিডোর এখন মাইন ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে। সীমান্তের ওপারে চলমান সংঘাতের প্রভাবে গত দেড় বছরে অন্তত ৩৫ বাংলাদেশি নিহত বা আহত হয়েছেন। হতাহতদের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দা, রোহিঙ্গা, জেলে, কৃষিশ্রমিক ও বিজিবি সদস্য রয়েছেন। সর্বশেষ ৯ জুন ঘুমধুম এলাকায় এক যুবক মাইন বিস্ফোরণে নিহত হন।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা জানান, ২০২৪ সালের শুরু থেকে মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মির সংঘর্ষে উভয় পক্ষই প্রতিরক্ষার জন্য মাইন ব্যবহার করেছে। এসব মাইন বছরের পর বছর সক্রিয় থাকে, ফলে সীমান্তবর্তী মানুষের জীবনে দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। স্থানীয়রা জীবিকার প্রয়োজনে কৃষিকাজ, মাছ ধরা ও বনজ সম্পদ সংগ্রহে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় প্রবেশ করায় দুর্ঘটনা ঘটছে।

প্রশাসন সীমান্ত এলাকায় সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করেছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় না যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা সীমান্তের নিরাপত্তা জোরদার, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে মাইন অপসারণের পরামর্শ দিয়েছেন।

18 Jun 26 1NOJOR.COM

রাখাইন সংঘাতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে বহু হতাহত

নিউজ সোর্স

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে ২৮ কিলোমিটারজুড়ে মাইন আতঙ্ক | আমার দেশ

জমির উদ্দিন, চট্টগ্রাম
প্রকাশ : ১৮ জুন ২০২৬, ০৯: ১৯
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম, তুমব্রু ও ফুলতলী পর্যন্ত বিস্তৃত ২৮ কিলোমিটার সীমান্ত করিডোর এখন ‘মৃত্যুফাঁদে’ পরিণত হয়েছে। সীমান্তের ওপারে চলমান সংঘাতের প্রভাবে এই এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে স্থলম

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।