Web Analytics

বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ৭ নভেম্বর ১৯৭৫-কে সিপাহি-জনতার গুরুত্বপূর্ণ অভ্যুত্থান হিসেবে তুলে ধরে বলেছেন, এদিন বন্দিত্ব থেকে তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান মুক্ত হন এবং দেশের রাজনৈতিক ও সামরিক অনিশ্চয়তা মোকাবিলায় নেতৃত্বের কেন্দ্রে আসেন। লেখাটিতে দাবি করা হয়েছে, প্রায় দেড় যুগ ধরে দিনটি নিয়ে অপপ্রচার হয়েছে এবং সরকারি সাধারণ ছুটির তালিকা থেকেও এটি বাদ দেওয়া হয়।

লেখক ঘটনাপ্রবাহের সূত্রপাত হিসেবে আগস্ট ১৯৭৫-এ তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ড এবং পরে খন্দকার মোশতাকের সামরিক শাসনের কথা উল্লেখ করেছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ২৫ আগস্ট জিয়া সেনাপ্রধান নিযুক্ত হলেও কমান্ড প্রতিষ্ঠায় বাধার মুখে পড়েন। ২ নভেম্বর রাতে ঢাকা সেনানিবাসে বিদ্রোহ শুরু হয়, জিয়া বন্দি হন এবং ৩ নভেম্বর খালেদ মোশাররফ সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পান।

নিবন্ধে বলা হয়েছে, সৈনিকদের ক্ষোভ ও জনমনে উদ্বেগের মধ্যে ৭ নভেম্বর প্রথম প্রহরে জিয়াকে মুক্ত করা হয়। এতে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, জাসদ-সমর্থিত একটি দলের কর্মকাণ্ডে নারী চিকিৎসকসহ ১৩ সেনা কর্মকর্তা নিহত হন। লেখক ৭ নভেম্বর ও জিয়ার পরবর্তী নেতৃত্বকে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক পরিবর্তন, জাতীয় পরিচয় এবং সার্বভৌমত্বের সঙ্গে যুক্ত করে দিনটির দীর্ঘস্থায়ী গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।

07 Nov 26 1NOJOR.COM

বিএনপি মিডিয়া সেল আহ্বায়ক ৭ নভেম্বরকে জিয়ার নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে তুলে ধরেছেন

নিউজ সোর্স

৭ নভেম্বর ও জিয়াউর রহমান

৭ নভেম্বর নিয়ে দেড় যুগ ধরে নানা অপপ্রচার চালানো হয়েছে, ছড়ানো হয়েছে বিভ্রান্তি। এমনকি সাধারণ ছুটির সরকারি তালিকা থেকেও ৭ নভেম্বরকে বাদ দেওয়া হয়েছে, যাতে এ দিনটি নিয়ে কোনো কথা বা আলোচনা না হয়।
স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে পারে, এ দিনটি নিয়ে এত বিরাগ কেন?

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।