Web Analytics

২০২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত আতা সরকারের প্রবন্ধে বাংলাদেশের সাহিত্যবইয়ের মলাটে আত্মপ্রশংসামূলক লেখার প্রবণতা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তিনি বলেন, বইয়ের সামনের মলাট পাঠককে আকর্ষণ করে শিল্পীর কারুকাজে, কিন্তু পেছনের মলাট এখন অনেক সময় লেখকের নিজের প্রশংসা বা অন্যের দেয়া ‘সার্টিফিকেট’-এ ভরে যায়। লেখক প্রশ্ন তোলেন, যখন পুরো বইটাই লেখকের যোগ্যতার প্রমাণ, তখন এই সার্টিফিকেটের প্রয়োজন কেন।

প্রবন্ধে দেখা যায়, অনেক লেখক নিজেরাই নিজেদের প্রশংসা লিখে ফেলেন বা নামী ব্যক্তিদের কাছ থেকে প্রশংসাপত্র সংগ্রহ করে মলাটে ছাপান। কেউ কেউ বিদেশি পণ্ডিতদের কাছ থেকেও এমন স্বীকৃতি নিয়ে বইয়ের মর্যাদা বাড়ানোর চেষ্টা করেন। আতা সরকার এই প্রবণতাকে আত্মতুষ্টি ও বিপণন কৌশল হিসেবে দেখেন, যা সাহিত্যিক সততার পরিপন্থী।

তিনি উপসংহারে বলেন, একজন সাহিত্যিকের প্রকৃত সার্টিফিকেট তার মৌলিক সাহিত্যকর্মই হওয়া উচিত, মলাটের আত্মপ্রশংসা নয়।

07 Feb 26 1NOJOR.COM

আতা সরকার বইয়ের মলাটে আত্মপ্রশংসার প্রবণতা নিয়ে সমালোচনা করেন

নিউজ সোর্স

সাহিত্যবই, মলাট ও মলাটের উল্টো পিঠ | আমার দেশ

আতা সরকার
প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪: ২৯
আতা সরকার
সব বইয়েরই মলাট থাকে। সুন্দর মুখ যেমন হৃদয়কে আকর্ষণ করে মনে দাগ এঁকে যায়, তেমনি যে বইয়ের মলাট যত সুদৃশ্য ও আকর্ষণীয় হয়, সে বই প্রথম দেখায় পাঠক টানতে পারে। কথাতেই আছে : আগে দর্শনধারী, পরে গুণবিচা

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।