Web Analytics

আমার দেশ-এ ৫ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত রেজাউল করিমের মতামতধর্মী লেখায় জুলাইয়ের আন্দোলনে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণকে তুলে ধরা হয়েছে। লেখাটিতে বলা হয়, ১৬ জুলাই আবু সাঈদের মৃত্যুর পর আন্দোলন কেবল কোটা দাবিতে সীমিত থাকেনি; তা ন্যায়, সমতা, মতপ্রকাশ এবং বেঁচে থাকার অধিকারের প্রশ্নে রূপ নেয়। ১৭ জুলাই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল খালি হওয়ার পর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীরা সক্রিয় হন।

লেখক উল্লেখ করেন, ১৮ জুলাই নর্থ সাউথ, ব্র্যাক, ইস্ট ওয়েস্ট, আইইউবি, এআইইউবি, ইউআইইউ, ড্যাফোডিল, স্ট্যামফোর্ড ও সাউথইস্টসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ঢাকার নানা এলাকা থেকে রাস্তায় নামেন। তাদের অনেকের পূর্ব রাজনৈতিক বা মিছিলের অভিজ্ঞতা ছিল না বলে লেখায় বলা হয়েছে। আহতদের সহায়তা, পানি দেওয়া, রক্তদান এবং চিকিৎসার জন্য ছুটে যাওয়ার ঘটনাগুলোকে লেখক পারস্পরিক সংহতির উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

লেখাটিতে ৫ আগস্টের বিজয়োৎসবের সঙ্গে নিহত ও নিখোঁজদের অনুপস্থিতির কথাও বলা হয়েছে। বিজয়ের পর শিক্ষার্থীরা সড়কে শৃঙ্খলা আনা, দেয়ালে আঁকা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পাহারার কাজ করেন বলে দাবি করা হয়। ছাত্রশিবিরসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের লজিস্টিক ও অন্যান্য সহায়তার কথা উল্লেখ করে লেখক বলেন, সহায়তা ও নেতৃত্ব এক নয়; আন্দোলনের মূল শক্তি ছিলেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

05 Aug 26 1NOJOR.COM

জুলাই আন্দোলনে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভূমিকা নিয়ে একটি মতামতধর্মী লেখা

নিউজ সোর্স

গণঅভ্যুত্থানে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় | আমার দেশ

রেজাউল করিম
প্রকাশ : ০৫ আগস্ট ২০২৬, ১৩: ০২
জুলাই মাসটি প্রথমে অন্য সব জুলাইয়ের মতোই এসেছিল। আকাশে মেঘ ছিল, রাস্তায় ধুলো ছিল, শহরের মানুষের হাতে ছিল অসমাপ্ত কাজের তালিকা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেমেয়েরা কেউ পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।