Web Analytics

ইরানের ওপর সাম্প্রতিক মার্কিন হামলায় ইউরোপের কয়েকটি বিমানঘাঁটি সরাসরি অভিযান, পরিবহন, আকাশে জ্বালানি সরবরাহ, মেরামত ও লজিস্টিক সহায়তায় ভিন্ন ভিন্ন ভূমিকা পালন করেছে। ব্রিটেনের গ্লুচেস্টারশায়ারে অবস্থিত আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ছিল সবচেয়ে সরাসরি ব্যবহৃত ঘাঁটি। ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া অপারেশন এপিক ফিউরির অংশ হিসেবে ৬ মার্চ থেকে সেখানে মার্কিন বি-১বি ল্যান্সার এবং ৯ মার্চ থেকে বি-৫২ বোমারু বিমান মোতায়েন করা হয়।

উন্মুক্ত সূত্র ও ফ্লাইট তথ্য অনুযায়ী, ১৩ মার্চের মধ্যে ফেয়ারফোর্ডে ১২টি বি-১বি ও ছয়টি বি-৫২ মিলিয়ে ১৮টি বোমারু বিমান ছিল। মার্কিন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কিন বলেন, যুদ্ধবিমান, বোমারু, ট্যাংকার ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধবিমানসহ ১০০টির বেশি বিমান মোতায়েন করা হয়েছিল এবং প্রথম ২৪ ঘণ্টায় এক হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়। ব্রিটেন তার অনুমতিকে সীমিত ও প্রতিরক্ষামূলক বললেও তা নিয়ে আইনি বিতর্ক হয়।

পর্তুগালের লাজেস, জার্মানির রামস্টাইন এবং গ্রিসের সুদা মূলত সহায়তা ও ট্রানজিট কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। স্পেন ইরানে হামলার জন্য মোরোন ও রোতা ঘাঁটি ব্যবহারে বাধা দেয়। ফ্রান্স ও ইতালিও সীমাবদ্ধতা আরোপ করে। রোমানিয়া ও বুলগেরিয়া সীমিত সহায়ক মোতায়েন অনুমোদন দেয়, আর তুরস্ক জানায় ইনজিরলিক ঘাঁটি হামলায় ব্যবহৃত হয়নি।

03 Oct 26 1NOJOR.COM

ইরান যুদ্ধে মার্কিন অভিযানে ইউরোপের ঘাঁটিগুলো সরাসরি ও সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে

নিউজ সোর্স

ইরান যুদ্ধে ইউরোপের যেসব ঘাঁটি ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের ওপর সাম্প্রতিক মার্কিন হামলায় ইউরোপের কয়েকটি বিমানঘাঁটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। কোথাও সরাসরি হামলার জন্য মার্কিন বোমারু বিমান মোতায়েন করা হয়েছে। কোথাও ব্যবহার করা হয়েছে পরিবহন, আকাশে জ্বালানি সরবরাহ, মেরামত ও সরবরাহ ব্যবস্থার জন্য। আবা

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।