Web Analytics

তিস্তা ইস্যু ভারত-বাংলাদেশ কূটনীতির বড় পরীক্ষা হয়ে উঠেছে, যেখানে বাংলাদেশের উন্নয়ন-চাহিদা এবং ভারতের শিলিগুড়ি করিডোরকেন্দ্রিক নিরাপত্তা উদ্বেগ একসঙ্গে জড়িত। ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত এই করিডোরের সবচেয়ে সরু অংশের প্রস্থ ২০ থেকে ২২ কিলোমিটার এবং এটিই ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর একমাত্র স্থলসংযোগ। নিবন্ধটির মতে, তিস্তাকে এখন শুধু পানিবণ্টন বিরোধ হিসেবে দেখা যথেষ্ট নয়।

তিস্তা অববাহিকায় নদীভাঙন, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, পলি জমা, বন্যা ও পানিসংকট তীব্র হওয়ায় নদী পুনরুদ্ধার, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সেচ ও আঞ্চলিক উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়ার সার্বভৌম অধিকার বাংলাদেশের রয়েছে। চীনা অর্থায়নের প্রতিটি অবকাঠামো প্রকল্পকে কৌশলগত ষড়যন্ত্র বলা ঠিক নয়, তবে সংবেদনশীল ভৌগোলিক অঞ্চলে সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনা করাকে ভারতের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর স্বাভাবিক কার্যপদ্ধতি হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের উদ্বেগসহ অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কারণে প্রস্তাবিত তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তি এক দশকের বেশি সময় ধরে আটকে আছে। নিবন্ধটি যৌথ নদী অববাহিকা ব্যবস্থাপনা, বন্যা পূর্বাভাস, পরিবেশ পুনরুদ্ধার, জলবায়ু সহনশীলতা, সীমান্তপার যোগাযোগ ও কৌশলগত স্বচ্ছতার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে।

31 Aug 26 1NOJOR.COM

তিস্তা ইস্যুতে ভারত-বাংলাদেশের আস্থা, উন্নয়ন সহযোগিতা ও কৌশলগত স্বচ্ছতার পরীক্ষা

নিউজ সোর্স

‘চিকেনস নেক’ ও তিস্তা: ভারত-বাংলাদেশ কূটনীতির বড় পরীক্ষা

কিছু দেশ আছে, যেগুলো ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে বিশেষ সুবিধা পায়, কিন্তু ভারতের ক্ষেত্রে ভৌগোলিক অবস্থানই অনেক বিরোধের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভারতের পূর্বাঞ্চলের শিলিগুড়ি করিডোর যা ‘চিকেনস নেক’ (মুরগির ঘাড়) বা সরু গলার অংশ হিসেবেই বেশি পরিচিত, এর সবচেয়ে

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।