Web Analytics

তুরস্ক ও বাংলাদেশের সম্পর্ক এখন নতুন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা এবং সাংস্কৃতিক সহযোগিতা একসঙ্গে এগোচ্ছে। ২০১৬ সালের ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানের পর তুরস্কের গণতান্ত্রিক সরকারের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন এবং রোহিঙ্গা সংকটে তুরস্কের মানবিক ভূমিকা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও মজবুত করেছে। ২০২৬ সালের ৫ জুন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের দুই দিনের ঢাকা সফরকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ১৩০ কোটি ডলার থেকে ২০০ কোটি ডলারে উন্নীত করার পথে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সফরকালে বাংলাদেশ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে তুর্কি বিনিয়োগের প্রস্তাব দেয় এবং সমতা ভিত্তিক অংশীদারিত্বের ওপর জোর দেয়।

বাংলাদেশ প্রধানত পাট, পোশাক, চামড়া ও সিরামিক রপ্তানি করে, আর তুরস্ক থেকে তুলা, পেট্রোলিয়াম, যন্ত্রাংশ ও ইস্পাত আমদানি করে। সফরে মুক্ত বাণিজ্য ও অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রতিরক্ষা খাতে বাংলাদেশ তুরস্কের কাছ থেকে ড্রোন ও রকেট সিস্টেম ক্রয় করছে। সাংস্কৃতিক দিক থেকে তুর্কি টিভি সিরিয়াল, পোশাক ও খাবার বাংলাদেশের তরুণ সমাজে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।

প্রবন্ধে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ‘ইউনুস এমরে’ কালচারাল সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হলে দুই দেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে।

17 Jun 26 1NOJOR.COM

বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও সংস্কৃতিতে তুরস্ক-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন অগ্রগতি

নিউজ সোর্স

নতুন দিগন্তে তুরস্ক-বাংলাদেশ সম্পর্ক | আমার দেশ

ড. এহতেশামুল হক
প্রকাশ : ১৭ জুন ২০২৬, ১১: ১৭আপডেট : ১৭ জুন ২০২৬, ১১: ২৮
বাংলাদেশের সঙ্গে তুরস্কের সম্পর্ক ঐতিহাসিক হলেও নানা ভূরাজনৈতিক জটিলতায় সম্পর্ক সেভাবে এগোয়নি। তবে ২০১৬ সালে তুরস্কে ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থান এবং তুরস্কের গণতান্ত্রিক সরকারের প্র

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।