Web Analytics

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানকে নিয়ে গঠিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশ যোগ দিলে সম্ভাব্য লাভ ও ঝুঁকি নিয়ে মত দিয়েছেন তুরস্কের একজন অধ্যাপক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা। মক্কায় তিন দেশের শীর্ষ নেতাদের স্বাক্ষরিত চুক্তিটি সামরিক দিকের কারণে বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তুলেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চুক্তিটি নিয়ে বাংলাদেশ ইতিবাচক হলেও যোগদানের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

হাসান কালিয়ানকু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুরাত আসলাম জোটটিকে আক্রমণাত্মক নয়, প্রতিরক্ষামূলক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাঁর মতে, এর কোনো নির্দিষ্ট শত্রু দেশ নেই; সদস্যদের মধ্যে যুদ্ধ এড়ানো এবং প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোই প্রাথমিক লক্ষ্য। নিরাপত্তা বিশ্লেষক হাসিব আজিজ বলেন, এতে বাংলাদেশ যৌথ সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, এআই অংশীদারত্ব ও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ের সুযোগ পেতে পারে।

সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, বর্তমান সদস্যরা আমন্ত্রণ জানালে বাংলাদেশ তা ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে তুরস্ক থেকে বায়রাক্তার ড্রোন ও অটোকার কোবরা ভেহিকেল আমদানি করছে, যা আরও বাড়তে পারে। তবে পাকিস্তানের উপস্থিতির কারণে ভারতের সন্দেহ এবং সম্ভাব্য ভারত-পাকিস্তান সংঘাতে বাংলাদেশের জড়িয়ে পড়ার প্রশ্নটি বড় ঝুঁকি হিসেবে রয়ে গেছে।

29 Aug 26 1NOJOR.COM

মক্কা জোটে বাংলাদেশের সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা সুবিধা ও আঞ্চলিক ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা

নিউজ সোর্স

মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যুক্ত হলে বাংলাদেশের কী লাভ, জানালেন তুরস্কের অধ্যাপক

এক চুক্তিতে তিন দেশ, যাকে অনেকেই বলছেন ‘মুসলিম ন্যাটো’। তবে এর আনুষ্ঠানিক নাম মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি। সৌদি আরবের মক্কায় সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের শীর্ষ নেতাদের এই চুক্তি বিশ্বব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, যার মূল কারণ এর সামরিক দিক।
আন্তর্জাতি

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।