Web Analytics

তুর্কি সাংবাদিক, গবেষক ও শিক্ষাবিদ আরদান জেনতুর্কের নামে প্রকাশিত একটি মন্তব্যে মক্কায় ৭ আগস্ট তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের স্বাক্ষরিত যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি ‘মক্কা প্যাক্ট’ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। লেখাটিতে বলা হয়েছে, জোটটির দরজা অন্যদের জন্যও খোলা এবং ঘোষণা দেওয়ার পর ইতিবাচক সাড়া দেওয়া মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। লেখকের মতে, এই প্যাক্টে যোগ দেওয়াকে বাংলাদেশ তার ভূরাজনৈতিক অবস্থান পুনর্নির্ধারণের সূচনা হিসেবে দেখতে পারে।

মন্তব্যটিতে মিসরের সম্ভাব্য যোগদানের পক্ষে তুরস্কের অবস্থান, ত্রিপক্ষীয় বৈঠক এবং মিসর-সৌদি পর্যায়ের যোগাযোগের কথা বলা হয়েছে। তবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে মিসরের অর্থনৈতিক সম্পর্ক এ প্রক্রিয়াকে ধীর করতে পারে বলে এতে উল্লেখ করা হয়। বাংলাদেশের জন্য জনশক্তি, অর্থনীতি, জ্বালানি নিরাপত্তা ও ধর্মীয় গুরুত্বের কারণে সৌদি আরবের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে লেখাটি দাবি করে। তুরস্ককে আধুনিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের বিকল্প সরবরাহকারী হিসেবেও উপস্থাপন করা হয়েছে।

লেখায় বলা হয়েছে, আগস্ট ২০২৪-এর পর বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বাণিজ্য, কূটনৈতিক এবং সামরিক যোগাযোগ বেড়েছে। চীনও বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ও অবকাঠামো খাতে গভীরভাবে যুক্ত বলে এতে উল্লেখ করা হয়। লেখকের মূল্যায়ন অনুযায়ী, সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ভারত, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রকেন্দ্রিক কৌশলগত অক্ষের জন্য উদ্বেগ তৈরি করতে পারে। তবে সব প্রত্যাশা বাস্তবায়িত নাও হতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেছেন।

01 Sep 26 1NOJOR.COM

মন্তব্যে মক্কা প্যাক্টকে বাংলাদেশের সম্ভাব্য ভূরাজনৈতিক পরিবর্তনের সূচনা বলা হয়েছে

নিউজ সোর্স

মক্কা চুক্তি, ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা ও বাংলাদেশ

মক্কায় যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরব। গত ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত এই ‘মক্কা প্যাক্ট’ মুসলিম বিশ্বে একদিকে যেমন নতুন আশার সঞ্চার করেছে, অন্যদিকে এ নিয়ে আলোচনা ও বিতর্কের সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
প্রতিরক্ষা জোটটির দরজা অন্যদে

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।