Web Analytics

ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক সার্ভের নেতৃত্বাধীন এক গবেষণায় দেখা গেছে, দক্ষিণ স্যান্ডউইচ দ্বীপপুঞ্জের জাভোডোভস্কি দ্বীপে ২০১১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে চিনস্ট্র্যাপ পেঙ্গুইনের ব্যবহৃত বাসার সংখ্যা ৬৩ শতাংশ কমেছে। অ্যান্টার্কটিকার উত্তরে অবস্থিত প্রত্যন্ত আগ্নেয় দ্বীপটিতে ২০১১ সালে আনুমানিক ছয় লাখ চিনস্ট্র্যাপ পেঙ্গুইন বাসা বাঁধত। তখন এটি বিশ্বের বৃহত্তম পেঙ্গুইন কলোনির আবাসস্থল হিসেবে স্বীকৃত ছিল, কিন্তু এখন সেই মর্যাদা হারিয়েছে।

গবেষক দলটি ১৫ দিন নৌযাত্রা করে দ্বীপে পৌঁছে ড্রোন, আকাশ থেকে তোলা ছবি এবং ২০টি পাখির শরীরে বসানো অনুসরণযন্ত্র ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করে। উপগ্রহচিত্র ও গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণে বাসার সংখ্যার ধারাবাহিক পতন ধরা পড়ে। বিজ্ঞানীরা জলবায়ু পরিবর্তনজনিত খাদ্যসংকট এবং সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে এ পতনের গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

অধ্যাপক নরম্যান র‍্যাটক্লিফ বলেন, চিনস্ট্র্যাপ পেঙ্গুইনের খাদ্যতালিকা সীমিত এবং তারা শীতল পানি পছন্দ করে। উষ্ণ সমুদ্রে তাদের প্রধান খাদ্য ক্রিল দক্ষিণে সরে গেছে, কিন্তু বরফ ও উপযোগী দ্বীপের অভাব তাদের চলাচল সীমিত করছে। বিপরীতে ম্যাকারনি পেঙ্গুইন বেড়েছে। গবেষণাটি কারেন্ট বায়োলজি সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।

10 Oct 26 1NOJOR.COM

জাভোডোভস্কি দ্বীপে চিনস্ট্র্যাপ পেঙ্গুইনের ব্যবহৃত বাসা ৬৩ শতাংশ কমেছে

নিউজ সোর্স

পাঁচ লাখ পেঙ্গুইন উধাও, হারাল বিশ্বের বৃহত্তম কলোনির খেতাব

অ্যান্টার্কটিকার কাছের এক প্রত্যন্ত আগ্নেয় দ্বীপে চিনস্ট্র্যাপ পেঙ্গুইনের ব্যবহৃত বাসার সংখ্যা ১৪ বছরে ৬৩ শতাংশ কমেছে। ২০১১ সালে দ্বীপটিতে আনুমানিক ছয় লাখ চিনস্ট্র্যাপ পেঙ্গুইন বাসা বাঁধত। ২০২৫ সালের সমীক্ষায় দেখা গেছে, তাদের ব্যবহৃত বাসার সংখ্যা আগে

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।