Web Analytics

বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) প্রকল্পে প্রায় ৩৮২৫ কোটি টাকার দুর্নীতির তথ্য দুটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাবেক নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক ও তার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ‘টাইগার আইটি’ প্রকল্পের অনুমোদন, মূল্য নির্ধারণ ও ক্রয় প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করেছে। এসব অনিয়মের পরও কার্যকর তদন্ত বা ব্যবস্থা না নেওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে এবং প্রতিবেদনগুলো শিগগির সরকারের উচ্চপর্যায়ে পাঠানো হবে।

মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাজারদরের চেয়ে ১০ গুণ বেশি দামে ইভিএম কেনা হয়, ফলে প্রায় ৩১৭২ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় দেখানো হয়েছে। প্রকল্পটি মাঠপর্যায়ের সমীক্ষা ছাড়াই অনুমোদন পায় এবং ১৫০ আসনের পরিবর্তে মাত্র ৬ আসনে ইভিএম ব্যবহার হয়। বর্তমানে দেড় লাখ মেশিনের মধ্যে সচল আছে প্রায় ৪০ হাজার, রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কোনো বাজেটও রাখা হয়নি।

বর্তমান নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশন ইভিএম ব্যবহার বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ফলে পুরো প্রকল্পটি এখন সম্পূর্ণ ক্ষতির মুখে পড়েছে।

02 Apr 26 1NOJOR.COM

ইভিএম প্রকল্পে ৩৮২৫ কোটি টাকার ক্ষতি, দুর্নীতির অভিযোগে তদন্তের আহ্বান

নিউজ সোর্স

ইভিএম প্রকল্পে গচ্চা ৩৮২৫ কোটি টাকা | আমার দেশ

ওয়াসিম সিদ্দিকী
প্রকাশ : ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮: ২৯আপডেট : ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৯: ১৩
দেড় লাখ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কেনাকাটাকে ঘিরে কয়েক হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে দুটি গোয়েন্দা সংস্থার পৃথক প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনে প্রকল্পটি

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।