Web Analytics

যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে বাড়তে থাকা নিরাপত্তা, গোয়েন্দা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে সামরিক নির্ভরতা বাড়াচ্ছে বলে এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে। এতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আবুধাবি অর্থনীতি, কূটনীতি ও বিনিয়োগের পাশাপাশি নিরাপত্তা অংশীদারিত্বও জোরদার করছে।

২০২০ সালের আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের পর ইসরাইল-আমিরাত সম্পর্ক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ ছাড়িয়ে নিরাপত্তা, গোয়েন্দা ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বিস্তৃত হয়েছে। বিশ্লেষণ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড কাঠামোর সঙ্গে ইসরাইলের ঘনিষ্ঠ সংযুক্তি এই সহযোগিতাকে সহজ করেছে। ২০২৬ সালের ইরান যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রনির্ভর উপসাগরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতাও সামনে এনেছে বলে এতে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইরানকে ঘিরে উত্তেজনায় হরমুজ প্রণালি, উপসাগরীয় জ্বালানি অবকাঠামো ও সমুদ্রপথ বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার অংশ হয়ে উঠেছে। ইরান হরমুজে নতুন বিধিনিষেধের হুমকি দিয়েছে, আর আমিরাত বিকল্প বন্দর, পাইপলাইন ও বাণিজ্যপথ গড়ার উদ্যোগ নিচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসন যুদ্ধ-পরবর্তী আঞ্চলিক কৌশল নিয়ে কাজ করছে, তবে পরিকল্পনাটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

08 Sep 26 1NOJOR.COM

সামরিক জোট ও ইরান উত্তেজনায় মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে নতুন নিরাপত্তা প্রতিযোগিতা

নিউজ সোর্স

মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী যুদ্ধের বাস্তবতা তৈরি, নতুন নিরাপত্তা প্রতিযোগিতার জন্ম

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ যেন আর ব্যতিক্রমী কোনো ঘটনা নয়; বরং ক্রমেই তা আঞ্চলিক রাজনীতির স্থায়ী বৈশিষ্ট্যে পরিণত হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পারস্পরিক নিরাপত্তা ও কৌশলগত সহযোগিতা এই প্রবণতাকে আরো শক্তিশালী করছে। শান্তি ও স্থিতিশীলতার

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।