Web Analytics

নিবন্ধটিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে, ক্ষমতাসীনদের তোষামোদ করে নয়। লেখকের মতে, আইনসভা, নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগের পাশাপাশি গণমাধ্যম সাংবিধানিক নীতি ও চেতনা সমুন্নত রাখতে, অন্যায় থেকে শাসকগোষ্ঠীকে বিরত রাখতে এবং জনগণ ও সরকারের মধ্যে সেতুবন্ধ গড়তে ভূমিকা রাখে। স্বাধীন গণমাধ্যম তাই দেশের আয়নার মতো ভালো ও খারাপ—দুই দিকই তুলে ধরবে।

লেখক দাবি করেন, গত দেড় যুগে বাংলাদেশের অধিকাংশ গণমাধ্যম ফ্যাসিবাদের সহযোগী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে, ফলে জনস্বীকৃতি কমেছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গুরুত্ব বেড়েছে। তাঁর অভিযোগ, কিছু শীর্ষ সাংবাদিক শেখ হাসিনার প্রশংসা করে ব্যক্তিগত সুবিধা নিয়েছেন। পদ্মা সেতুর স্প্যান স্থাপন নিয়ে অতিরিক্ত সংবাদ প্রচার এবং হাসিনার পতনের আগে ছাত্র আন্দোলন দমনে কিছু সাংবাদিকের পরামর্শ দেওয়ার কথাও নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিবন্ধ অনুযায়ী, চব্বিশের জুলাই বিপ্লবের পর কিছু গণমাধ্যম চরিত্র বদলে বর্তমান সরকারের প্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে। লেখক সরকারকে প্রকৃত ‘মুখ’ ও ‘মুখোশ’ আলাদা করে চেনার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, জনগণের প্রত্যাশা তুলে ধরাই গণমাধ্যমের পথ হওয়া উচিত; চাটুকার গণমাধ্যমের লক্ষ্য কেবল নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি, যা সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য কল্যাণকর নয়।

17 Sep 26 1NOJOR.COM

চাটুকার গণমাধ্যম জনআস্থা, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর বলে সতর্ক করেছে নিবন্ধটি

নিউজ সোর্স

চাটুকার গণমাধ্যম কল্যাণকর নয়

রাষ্ট্রের তিনটি স্তম্ভ হচ্ছে আইনসভা (সংসদ), নির্বাহী বিভাগ (প্রশাসন) ও বিচার বিভাগ। এই বিষয়গুলো যেকোনো রাষ্ট্রকে কার্যকর রাখতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এর কোনো একটি অচল হয়ে গেলে রাষ্ট্র সঠিকভাবে চলে না। রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয় গণমাধ্যমকে। একটি রাষ

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।