Web Analytics

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ বৃহস্পতিবার তদন্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম সাক্ষ্য দিয়ে বলেন, বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান গুম, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। আওয়ামী লীগের দেড় দশকের শাসনামলে শতাধিক মানুষকে গুম, নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় তিনি পঞ্চদশ সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন। তদন্ত কর্মকর্তার দাবি, জিয়াউল অন্তত ১৫০ জনকে হত্যা করেছেন।

রফিকুল ইসলাম বলেন, ২০০৯ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত র‍্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের পরিচালক ও অতিরিক্ত মহাপরিচালক হিসেবে কর্মরত অবস্থায় জিয়াউল বহু গুম ও হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেন। তাঁর দাবি, জিয়াউলের সরাসরি নির্দেশ, অনুমোদন ও জ্ঞাতসারে তাঁর বিশ্বস্ত র‍্যাব সদস্যরা এসব ঘটনা ঘটাতেন। সাক্ষ্যে বলা হয়, কাউকে ক্রসফায়ারের নামে বা বনদস্যু দমন অভিযানের নামে হত্যা করা হতো, আবার কাউকে দীর্ঘদিন আটক রেখে মিথ্যা মামলায় আদালতে পাঠানো হতো।

জবানবন্দিতে ২০১১ সালের ১১ জুলাই ঢাকা বাইপাস সড়কের কাছে তিন বন্দীকে গুলি করে হত্যাসহ একাধিক ঘটনার বর্ণনা দেওয়া হয়। ২০১৫ সালে বলেশ্বর নদী এলাকায় সাবেক বিডিআর সদস্য নজরুল ইসলাম মল্লিকসহ কয়েকজনকে হত্যার অভিযোগও তোলা হয়। ২০১১ ও ২০১২ সালে সুন্দরবন এলাকায় একাধিক বন্দীকে বনদস্যু দমন অভিযানের নামে হত্যার অভিযোগ উল্লেখ করা হয়। সাক্ষ্য অনুযায়ী, জিয়াউলকে ২০২৪ সালে মেজর জেনারেল পদে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।

09 Oct 26 1NOJOR.COM

তদন্ত কর্মকর্তার দাবি, জিয়াউল আহসান অন্তত ১৫০ জনকে হত্যায় জড়িত ছিলেন

নিউজ সোর্স

হাসিনার বিরোধী মত দমনের কারিগর জিয়াউল, হত্যা করেন কমপক্ষে ১৫০

ষড়যন্ত্রমূলক নীল নকশার নির্বাচনের মাধ্যমে ২০০৯ সালে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার। ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী ও নিষ্কণ্টক করতে রাষ্ট্রীয় বাহিনীগুলোকে ব্যবহার করে বিরোধী রাজনৈতিক দল ও ভিন্নমত দমন এবং নির্মূলের পথ বেছে নেয় তারা। বল

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।