Web Analytics

বাংলাদেশে হালাল সনদকে ধর্মীয় শর্তের পাশাপাশি খাদ্যনিরাপত্তা, পুষ্টিমান ও গুণগত মানের সঙ্গে যুক্ত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। লেখায় বলা হয়েছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পরীক্ষিত উচ্চঝুঁকির ও বহুল ব্যবহৃত ১ হাজার ৭১৩টি খাদ্যনমুনার মধ্যে ৫৭১টিতে ভেজাল, দূষণ বা নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে কম পুষ্টিমান পাওয়া গেছে। শূকরের মাংস বা অ্যালকোহল না থাকা এবং নিয়ম মেনে জবাইয়ের শর্ত পূরণ করলেই ক্ষতিকর উপাদানযুক্ত খাবার হালাল হতে পারে না বলে এতে যুক্তি দেওয়া হয়েছে।

হলুদে সিসা দূষণ রোধে অগ্রগতির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। গণমাধ্যমে প্রচার, ব্যবসায়ীদের সচেতনতা, বিএফএসএর অভিযান ও জরিমানার পর দেশের সবচেয়ে বড় হলুদ পাইকারি বাজারে শনাক্তযোগ্য সিসাযুক্ত নমুনার হার ২০১৯ সালের ৪৭ থেকে ২০২১ সালে শূন্যে নেমেছিল। তবে ২০২৫ সালের মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে অনুযায়ী, ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ৩৮ দশমিক ৪ শতাংশের রক্তে প্রতি ডেসিলিটারে ৫ মাইক্রোগ্রাম বা তার বেশি সিসা রয়েছে; ঢাকা বিভাগে হার ৬৫ দশমিক ২ শতাংশ।

লেখায় এক ছাতার নিচে সমন্বিত জাতীয় হালাল নিশ্চয়তা কাঠামো গড়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এতে আলেম, খাদ্যবিজ্ঞানী ও প্রশিক্ষিত নিরীক্ষকদের যুক্ত করা, পরীক্ষার পরিধি বাড়ানো, ঝুঁকিভিত্তিক নিয়মিত নজরদারি এবং কিউআর কোডে সনদ ও পরীক্ষার ফল যাচাইয়ের সুযোগ রাখার কথা বলা হয়েছে।

17 Oct 26 1NOJOR.COM

হালাল সনদের সঙ্গে কঠোর খাদ্যনিরাপত্তা, পুষ্টি ও মাননিয়ন্ত্রণ যুক্ত করার আহ্বান

নিউজ সোর্স

হালাল সনদ ও খাদ্যনিরাপত্তা

আমাদের হালাল খাবারের ভাবনা মোটামুটি দুটি বিষয়কেন্দ্রিক : পশুটি নিয়ম মেনে জবাই হয়েছে কি না, আর খাবারে শূকরের মাংস বা অ্যালকোহল আছে কি না। এর বাইরে আমরা খুব একটা প্রশ্ন করি না।
অথচ দেশে খাবারের মানের চিত্র রীতিমতো উদ্বেগজনক। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।