Web Analytics

জুলাই বিপ্লবের পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর পদত্যাগ ও গ্রেপ্তারের দাবিতে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের নেতৃত্বের পুরোভাগে ছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান হাদি। শেখ হাসিনার পতন ও পলায়নের পর তার নিয়োগ করা স্পিকার, প্রধান বিচারপতি এবং বায়তুল মোকাররমের খতিব দেশ ছাড়লেও রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন দায়িত্বে থেকে যান। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকেই তার পদত্যাগের জোরালো দাবি ওঠে।

শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র নিয়ে রাষ্ট্রপতির একটি পত্রিকাকে দেওয়া মন্তব্যের পর বিক্ষোভ তীব্র হয়। হাদি ওই বক্তব্যকে বিপ্লবীদের রক্তের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা আখ্যা দিয়ে আন্দোলনের ডাক দেন। ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজু ভাস্কর্য ও শহীদ মিনার থেকে হাজার হাজার মানুষ নিয়ে বঙ্গভবনমুখী পদযাত্রা করেন। আন্দোলনে হাসনাত আবদুল্লাহ, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমসহ অন্য নেতারাও যুক্ত ছিলেন।

বঙ্গভবনের সামনে ও শাপলা চত্বরসংলগ্ন এলাকায় অবরোধ করে হাদি রাষ্ট্রপতিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সরে দাঁড়ানোর আলটিমেটাম দেন। পরদিন শহীদ মিনারের সমাবেশে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগসহ পাঁচ দফা দাবি পেশ করা হয়। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর হাদি ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হন এবং ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে মারা যান। প্রতিবেদনে বলা হয়, তার হত্যার সাত মাস ছয় দিন পর রাষ্ট্রপতি চুপ্পু পদত্যাগ করেন।

25 Jul 26 1NOJOR.COM

ওসমান হাদির নেতৃত্বে চুপ্পুর পদত্যাগ দাবির আন্দোলন এবং তাঁর মৃত্যুর পর পদত্যাগের প্রেক্ষাপট

নিউজ সোর্স

চুপ্পুর পদত্যাগের দাবিতে উচ্চকণ্ঠ ছিলেন শহীদ ওসমান হাদি | আমার দেশ

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০: ৩১আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০: ৩২
জুলাই বিপ্লবে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতন ও পলায়নের পর তার নিয়োগ করা স্পিকার শিরীন শারমীন চৌধুরী ও প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান শাহীনের পাশাপাশি জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খ

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।