Web Analytics

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে নতুন শক্তির সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ১৫ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি অর্থ, তুরস্কের সামরিক প্রযুক্তি এবং পাকিস্তানের বড় ও অভিজ্ঞ সামরিক বাহিনী ও পারমাণবিক সক্ষমতার সমন্বয় আঞ্চলিক ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে। এই সম্ভাব্য পরিবর্তন নিয়ে ভারত বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

চুক্তিতে কোনো এক সদস্যের ওপর হামলাকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের একাংশ এটিকে পূর্ণাঙ্গ সামরিক জোট নয়, প্রতিরক্ষা সহযোগিতার কাঠামো হিসেবে দেখছেন। পাকিস্তানের সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত হুসেইন হাক্কানির মতে, এর মাধ্যমে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় ও যৌথ অস্ত্র-গোলাবারুদ উৎপাদনের মতো সহযোগিতা বাড়তে পারে। তিন দেশের ভিন্ন নিরাপত্তা-স্বার্থের কারণে সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণের বদলে অস্ত্র, প্রশিক্ষণ, রসদ ও গোয়েন্দা সহায়তার সম্ভাবনা বেশি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

তুরস্কের ড্রোন, ইলেকট্রনিক যুদ্ধব্যবস্থা ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি পাকিস্তানের আধুনিকায়নে সহায়তা করতে পারে, যা ভারতের সামরিক পরিকল্পনায় নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে। সৌদি আরবের সঙ্গে ভারতের বিনিয়োগ, জ্বালানি ও প্রবাসী-সম্পর্কও পরিস্থিতিকে জটিল করে। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল গত ছয় মাসে তিনবার সৌদি আরব সফর করেছেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা-নির্ভরতার বিকল্প ব্যবস্থা গড়ার প্রচেষ্টা হতে পারে এবং ভবিষ্যতে মিশর যুক্ত হলে এর ব্যাপ্তি বাড়তে পারে।

16 Aug 26 1NOJOR.COM

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির ভারসাম্য ও ভারতের নিরাপত্তা ভাবনা বদলাতে পারে

নিউজ সোর্স

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন জোট, নিরাপত্তা নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে ভারতের | আমার দেশ

আমার দেশ অনলাইন
প্রকাশ : ১৫ আগস্ট ২০২৬, ১৯: ৩৬
মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে নতুন এক সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি। এটি এখনই ‘মুসলিম ন্যাটো’তে পরিণত হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় থাকলেও সৌদি

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।