Web Analytics

২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের ইরানবিরোধী যুদ্ধের ছয় মাস পরও ইরানের শাসনব্যবস্থা অটুট রয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ব্যাপক বিমান হামলায় দেশটির সামরিক অবকাঠামোর বড় ক্ষতি হলেও সরকার পতন হয়নি এবং জনগণও বিদ্রোহে নামেনি। যৌথ অভিযানে সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি ও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা নিহত হন; তার ছেলে ও উত্তরসূরি সাইয়েদ মুজতবা খামেনি গুরুতর আহত হন।

এখন ওয়াশিংটন সামরিক অভিযান থেকে অর্থনৈতিক চাপে জোর দিচ্ছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট ব্যাসেন্ট সোমবার ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ ঘোষণা করে ইরানকে আরও বিচ্ছিন্ন ও ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতিকে ধসিয়ে দেওয়ার লক্ষ্য জানান। প্রতিবেদনে উদ্ধৃত বিশ্লেষকেরা বলছেন, হাজার হাজার নিষেধাজ্ঞার পর নতুন নিষেধাজ্ঞা তেহরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করবে—এ সম্ভাবনা কম। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সরকার পতন, আত্মসমর্পণ নাকি আলোচনার সমঝোতা চায়, সেটিও স্পষ্ট নয়।

বর্তমানে সংঘাত স্থবির; দুই পক্ষ সরাসরি হামলা করছে না এবং হরমুজ প্রণালির দুই পাশের অবরোধ তুলনামূলক শিথিল হওয়ায় কিছু তেল সরবরাহ চলছে। হরমুজ ইস্যুতে ইরান ও ওমানের আলোচনা চললেও তেহরান নিয়ন্ত্রণ ছাড়তে রাজি নয়। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, অর্থনৈতিক চাপ বাড়লে নতুন সামরিক সংঘাতের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।

29 Aug 26 1NOJOR.COM

ছয় মাসের যুদ্ধের পর ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ালেও যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য নিয়ে প্রশ্ন

নিউজ সোর্স

ছয় মাসের যুদ্ধেও অটুট ইরান, লক্ষ্যহীন যুক্তরাষ্ট্র

যুদ্ধটা দ্রুত শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ছয় মাস পরও ইরানকে নত করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। ব্যাপক বিমান হামলায় ইরানের সামরিক অবকাঠামোতে বড় ক্ষতি হয়েছে। নিহত হয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনিসহ গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারা। তবু ইরানের শাসনব্যবস্

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।