Web Analytics

আন্তর্জাতিক সূত্র অনুযায়ী, কাস্পিয়ান সাগর এখন ইরান ও রাশিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত বাণিজ্যপথে পরিণত হয়েছে। ২০২৬ সালের ৯ মে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা, ইউক্রেন যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে এই জলপথে সামরিক সরঞ্জাম থেকে খাদ্যপণ্য পর্যন্ত আদান-প্রদান দ্রুত বাড়ছে। ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের বান্দার আনজালির নৌ-কমান্ড সেন্টার লক্ষ্যবস্তু হওয়ার পর এই রুটের গুরুত্ব আরও বেড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, পারস্য উপসাগরের তুলনায় কাস্পিয়ান সাগর নিরাপদ ও নজরদারিহীন বাণিজ্যপথ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, রাশিয়া এই রুটে ইরানে ড্রোনের যন্ত্রাংশ পাঠাচ্ছে। ইরানের খাদ্যশিল্প সমিতির প্রধান জানিয়েছেন, গম, ভুট্টা, পশুখাদ্য ও সূর্যমুখী তেলসহ খাদ্যপণ্য এখন দ্রুত কাস্পিয়ান বন্দর দিয়ে আমদানি হচ্ছে এবং চারটি বন্দর দিনরাত কাজ করছে। রাশিয়ার বন্দর পরিসংখ্যানেও পণ্য পরিবহন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কাস্পিয়ান সাগরের স্থলবেষ্টিত অবস্থান পশ্চিমা নজরদারি সীমিত করে, যা নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে বাণিজ্যের সুযোগ তৈরি করছে। তবে বাল্টিক থেকে ভারত মহাসাগর পর্যন্ত পরিকল্পিত ৭,২০০ কিলোমিটার করিডর এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।

10 May 26 1NOJOR.COM

নিষেধাজ্ঞা ও অস্থিরতার মধ্যে ইরান-রাশিয়ার বাণিজ্যে কাস্পিয়ান সাগরের গুরুত্ব বেড়েছে

নিউজ সোর্স

কাস্পিয়ান সাগর এখন ইরান-রাশিয়ার কৌশলগত বাণিজ্যপথ | আমার দেশ

আমার দেশ অনলাইন
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ২২: ৫১আপডেট : ১০ মে ২০২৬, ০০: ২২
দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক রাজনীতির আলোচনায় তুলনামূলকভাবে উপেক্ষিত থাকা কাস্পিয়ান সাগর এখন ইরান ও রাশিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত বাণিজ্যপথে পরিণত হয়েছে। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা, ইউক্রেন যুদ

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।