Web Analytics

গত এক সপ্তাহে ইয়েমেনের হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ইরাকের ইরান-সমর্থিত শিয়া মিলিশিয়াদের ড্রোন হামলা এবং তেহরানের নতুন হুমকির মুখে পড়েছে সৌদি আরব। এর জবাবে মঙ্গলবার ভোরে যুক্তরাষ্ট্রকে সঙ্গে নিয়ে পূর্ব ইরাকে মিলিশিয়াদের একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি যুদ্ধবিমান। সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, তারা সংঘাত বাড়াতে চায় না, তবে আগ্রাসনের উপযুক্ত জবাব দিতে দ্বিধা করবে না।

হুতিরা লোহিত সাগর উপকূলে সৌদির দুটি তেল স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে; জাজানের কাছে একটি স্থাপনার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বাব আল-মানদে প্রণালি দিয়ে সৌদি জাহাজ চলাচল ঠেকাতে দুটি ট্যাংকারেও হামলার কথা বলা হয়েছে। হরমুজ প্রণালি স্থবির হওয়ায় ইয়ানবুর মতো লোহিত সাগরীয় বন্দর দিয়ে তেল রপ্তানি বাড়াতে বাধ্য হওয়া সৌদির ৭৫ শতাংশ রপ্তানি হুতি হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে।

পিএমএফ দাবি করেছে, যৌথ হামলায় অন্তত ২০ জন নিহত এবং অনেকে আহত হয়েছেন। সেন্টকম জানিয়েছে, আইআরজিসি নিয়ন্ত্রিত এলাকা থেকে সৌদিতে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্য করে ৩০টির বেশি ড্রোন হামলার জবাবেই অভিযান চালানো হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, বড় সংঘাত সৌদির জন্য ব্যয়বহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ; চলতি বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে দেশটি ২০১৮ সালের পর সবচেয়ে বড় বাজেট ঘাটতিতে পড়েছে।

30 Jul 26 1NOJOR.COM

হুতি, ইরাকি মিলিশিয়া ও ইরানি হুমকির মুখে সৌদি আরব পাল্টা হামলা চালিয়েছে

নিউজ সোর্স

এবার ত্রিমুখী হামলার শিকার সৌদি আরব | আমার দেশ

সিএনএন
প্রকাশ : ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৮: ০৬আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৮: ১৬
গত পাঁচ মাস ধরে যেকোনো মূল্যে আঞ্চলিক সংঘাত এড়িয়ে চলার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে সৌদি আরব। ইরানি ড্রোন তাদের তেল শিল্পকে লক্ষ্যবস্তু করার পরও তেহরানের সঙ্গে যোগাযোগের পথ খোলা রেখেছিল দেশ

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।