Web Analytics

ইসলামি নীতিমালা-অনুপ্রাণিত শালীন ফ্যাশন এখন বিশ্বজুড়ে মুসলিম নারীদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এর সাম্প্রতিক উদাহরণ দেখা গেছে ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত প্রথম প্যারিস মডেস্ট ফ্যাশন উইকে, যা ১৬ থেকে ১৮ এপ্রিল ঐতিহাসিক হোটেল লে মারোয়ায় অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ৩০টি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড সেখানে এমব্রয়ডারি করা সাটিন পোশাক, ঢিলেঢালা গাউন ও ঐতিহ্যবাহী মুসলিম পোশাকের আধুনিক রূপ উপস্থাপন করে। ধর্মনিরপেক্ষতা নিয়ে বিতর্কপূর্ণ ফ্রান্সে এই আয়োজন শুধু বাণিজ্যিক নয়, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক বার্তাও বহন করে।

আয়োজক থিংক ফ্যাশনের মতে, এক দশকের অভিজ্ঞতায় এই খাত এখন বৈশ্বিক ফ্যাশন শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছে। ডিনারস্ট্যান্ডার্ডের ‘স্টেট অব দ্য গ্লোবাল ইসলামিক ইকোনমি’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৮ সালের মধ্যে মুসলিম ভোক্তাদের পোশাক ব্যয় প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। এই প্রবৃদ্ধির পেছনে রয়েছে মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব এবং শিক্ষিত তরুণ নারীদের নতুন প্রজন্ম।

ডিকেএনওয়াই, টমি হিলফিগার ও এইচঅ্যান্ডএমের মতো ব্র্যান্ড ইতিমধ্যে এই বাজারে বিশেষ কালেকশন চালু করেছে। পাশাপাশি সৌদি ডিজাইনার ইসরা আল্লাফ ঐতিহ্যবাহী আবায়াকে আধুনিক নকশা ও রঙে পুনর্নির্মাণ করে সাংস্কৃতিক সংমিশ্রণের নতুন ধারা তৈরি করছেন।

05 Jun 26 1NOJOR.COM

মুসলিম নারীদের মধ্যে শালীন ফ্যাশনের বৈশ্বিক উত্থান, ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধন

নিউজ সোর্স

বিশ্বজুড়ে মুসলিম নারীদের মধ্যে ‘মডেস্ট’ ফ্যাশনের উত্থান | আমার দেশ

শালীনতা, পরিচয় ও আধুনিকতার মেলবন্ধন
আমার দেশ অনলাইন
প্রকাশ : ০৪ জুন ২০২৬, ১৫: ৪২আপডেট : ০৪ জুন ২০২৬, ১৫: ৪৩
বিশ্বজুড়ে মুসলিম নারীদের মধ্যে ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ‘মডেস্ট ফ্যাশন’ বা শালীনতা-নির্ভর ফ্যাশন। বিশেষ করে ইউরোপে এই শব্দটি সাধারণত ইসলা

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।