Web Analytics

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) তথ্যমতে, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশে আম উৎপাদন ও রপ্তানিতে নতুন রেকর্ড গড়ার আশা করা হচ্ছে। বর্তমানে ৩৮টি দেশে বাংলাদেশের আম রপ্তানি হচ্ছে, যেখানে গত বছর চীন যুক্ত হয়েছিল এবং এবার মালয়েশিয়া নতুনভাবে আগ্রহ দেখিয়েছে। রপ্তানিযোগ্য আমে কোনো ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় না, ফলে বিদেশে কোনো চালান ফেরত আসেনি। চলতি মৌসুমে ২ লাখ ৭ হাজার ২৪৭ হেক্টর জমি থেকে ২৭ লাখ ৯৫ হাজার ৭১৩ টন আম উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, আর রপ্তানির লক্ষ্য ২ লাখ ৭৯ হাজার টন।

কৃষি কর্মকর্তারা জানান, বাণিজ্যিক আম চাষে ঝুঁকি কম এবং পরিবহন ব্যবস্থাও স্বাভাবিক রয়েছে। বর্তমানে ১৪টি জেলায় গোপালভোগ, হিমসাগর, ল্যাংড়া, আম্রপালি প্রভৃতি জাতের আমের ব্যাপক চাষ হচ্ছে। আবহাওয়ার কারণে এবার রপ্তানি মৌসুম ১২ মে থেকে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। তবে ব্যাগিং সংকট ও বিমান ভাড়া বৃদ্ধির কারণে ছোট ও মাঝারি রপ্তানিকারকরা চাপে পড়তে পারেন।

রপ্তানি কমে গেলে স্থানীয় বাজারে সরবরাহ বাড়তে পারে, যা দামে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে চাষিরা আশা করছেন, স্থানীয় বাজার স্থিতিশীল থাকলে বড় ক্ষতি হবে না।

07 May 26 1NOJOR.COM

নতুন বাজার ও চ্যালেঞ্জের মধ্যেও রেকর্ড আম উৎপাদন ও রপ্তানির লক্ষ্য বাংলাদেশে

নিউজ সোর্স

আম উৎপাদন ও রপ্তানিতে নতুন রেকর্ডের প্রত্যাশা | আমার দেশ

গাজী শাহনেওয়াজ
প্রকাশ : ০৭ মে ২০২৬, ১১: ৩৩আপডেট : ০৭ মে ২০২৬, ১১: ৩৯
দেশে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত রপ্তানিযোগ্য আমে কোনো ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় না। ফলে বিদেশে পাঠানো আমের কোনো চালান ফেরত আসেনি। আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি আমের গ্রহণযোগ্যতা বা

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।