Web Analytics

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি মাহসা ‘জিনা’ আমিনিকে স্মরণ করার পর ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারোর বিরুদ্ধে ভণ্ডামির অভিযোগ তুলেছেন। চার বছর আগে ইরানের পুলিশি হেফাজতে মারা যাওয়া কুর্দি-ইরানি নারী আমিনিকে স্মরণ করায় এক্সে দেওয়া পোস্টে আরাগচি ফরাসি মন্ত্রীর অবস্থানকে ‘ভণ্ডামি’ ও ‘কুমিরের কান্না’ বলে আখ্যা দেন।

আরাগচি বলেন, আলজেরিয়ার স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় ফ্রান্স ১৫ লাখ আলজেরীয়কে হত্যা করেছিল। তাঁর ভাষ্য, প্যারিসের সরকারি নথিতে নিহতদের এক-দশমাংশেরও কম সংখ্যককে স্বীকার করা হয়েছে এবং ঔপনিবেশিক অপরাধের জন্য ফ্রান্স এখনো ক্ষমা চাইতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে। তিনি বারোকে উদ্দেশ করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের স্কুলশিশুদের হত্যা করার সময় তাঁর নীরবতাই সবকিছু বলে দিয়েছে।

আরাগচি ২৮ ফেব্রুয়ারি মিনাবের শাজারেহ তাইয়েবেহ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলার প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। স্থানীয় কর্মকর্তাদের হিসাবে, হামলায় ১৫৬ জন নিহত হন; তাঁদের মধ্যে ১২০ জন স্কুলশিশু ও ২৬ জন নারী শিক্ষক ছিলেন। বুধবার আমিনির মৃত্যুর চতুর্থ বার্ষিকীতে বারো তাঁকে স্মরণ করেন। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতে, আমিনি নির্যাতন ও অন্যান্য দুর্ব্যবহারের শিকার হয়েছিলেন—এমন বিশ্বাসযোগ্য তথ্য-প্রমাণ রয়েছে। কোমায় যাওয়ার পর ২০২২ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কাসরা হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।

20 Sep 26 1NOJOR.COM

মাহসা আমিনিকে স্মরণ করায় ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ভণ্ডামির অভিযোগ আরাগচির

নিউজ সোর্স

স্কুলশিশুদের হত্যায় নীরব ছিলেন, কুমিরের কান্না বন্ধ করুন—ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে আরাগচি

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি তার ফরাসি সমকক্ষ জঁ-নোয়েল বারোর বিরুদ্ধে ভণ্ডামির অভিযোগ তুলেছেন। চার বছর আগে ইরানের পুলিশি হেফাজতে মারা যাওয়া কুর্দি-ইরানি নারী মাহসা ‘জিনা’ আমিনিকে সম্মান জানানোর প্রেক্ষিতে তিনি এই অভিযোগ করেন। ফরাসি পররাষ্ট্

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।