Web Analytics

দ্রুত ও স্থিতিশীল রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনের জাতীয় কৌশল প্রণয়নে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সম্প্রতি ১১ সদস্যের একটি জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে লেখাটিতে কমিটির প্রতিনিধিত্ব ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এতে জ্যেষ্ঠ সরকারি, নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের প্রাধান্য থাকলেও শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার ছাড়া রোহিঙ্গা সংকট মাঠপর্যায়ে প্রত্যক্ষভাবে বোঝেন এমন সদস্য নেই বলে এতে বলা হয়েছে।

জুলাইয়ে ব্রাসেলসভিত্তিক থিংক ট্যাংক ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের সুপারিশ প্রকাশের পর সরকার কমিটি গঠনে তৎপর হয় বলে লেখাটির দাবি। সুপারিশগুলোর মধ্যে ছিল আরাকান আর্মি ও মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সংলাপ, রোহিঙ্গাদের স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ, আনুষ্ঠানিক শ্রমবাজারে প্রবেশ, ক্যাম্প ব্যবস্থাপনা বদল এবং শরণার্থী নীতি প্রণয়ন। লেখাটিতে বলা হয়েছে, এসব বিষয়ে গবেষকেরা দীর্ঘদিন ধরে কথা বললেও ২০২৬ সালেও পরিচয় যাচাই শেষ হয়নি।

লেখক উখিয়া, টেকনাফ ও কক্সবাজারের স্থানীয় প্রশাসন এবং দীর্ঘদিনের গবেষকদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির পক্ষে মত দিয়েছেন। ত্রাণ কমে আসা ও প্রত্যাবাসনের জটিলতার মধ্যে স্পষ্ট শরণার্থী নীতি এবং শক্তিশালী কূটনীতির প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরা হয়েছে।

26 Aug 26 1NOJOR.COM

রোহিঙ্গা কৌশল কমিটিতে মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও প্রতিনিধিত্বের ঘাটতি নিয়ে প্রশ্ন

নিউজ সোর্স

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন : প্রশ্নবিদ্ধ নতুন কমিটি

হাসপাতালের ডাক্তার রোগীকে মৃত ঘোষণা করার পর স্ট্রেচারে সাদা চাদরে ঢেকে মৃত ব্যক্তিকে মর্গে নেওয়া হচ্ছিল। হঠাৎ চাদর সরিয়ে মৃত ব্যক্তি হাসপাতালকর্মীকে প্রশ্ন করল, কোথায় নিচ্ছো আমাকে? বিস্মিত হাসপাতালকর্মী উত্তর দিলেন, মর্গে। মৃত ব্যক্তির পরবর্তী প্রশ্ন

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।