Web Analytics

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদে চলতি বছরের হোল্ডিং বা খানা কর আদায়ে বড় ধরনের হিসাবের গরমিলের অভিযোগ উঠেছে। ইউপি সদস্য, গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, নয়টি ওয়ার্ড থেকে ৯ লাখ টাকার বেশি কর আদায় হলেও পরিষদের হিসাবে জমা হয়েছে মাত্র ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ফলে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা বা তার বেশি অর্থের হিসাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং স্থানীয়রা তদন্ত করে পূর্ণ হিসাব প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন।

কর আদায়ের দায়িত্ব নির্ধারিত কমিশনের বিনিময়ে একটি তৃতীয় পক্ষকে দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, টাকা ও হিসাব বুঝে নেওয়ার দায়িত্বে থাকা সচিব হাসনাত টিটু ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশদের সামনে আদায়কৃত অর্থের পূর্ণাঙ্গ হিসাব উপস্থাপন করেননি। তৃতীয় পক্ষের কাছ থেকে টাকা গ্রহণ ও রিসিভে জমা দেওয়ার সময়ও সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। গ্রাম পুলিশদের ভাষ্য, এই করের অর্থ থেকে তাদের বেতন-ভাতাসহ বিভিন্ন ব্যয় মেটানো হয়।

সচিব হাসনাত টিটু বলেন, রিসিভে তিনি যে পরিমাণ টাকা পেয়েছেন, সেটিই পরিষদের হিসাবে জমা দিয়েছেন। প্রশাসক নাহিদুল ইসলাম জানান, তৃতীয় পক্ষ সচিবকে যে হিসাব দিয়েছে তা হয়তো সাড়ে পাঁচ লাখ টাকার মতো এবং তাদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। বিধিবহির্ভূত কিছু প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন তিনি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান বিষয়টি যাচাই করতে ইউনিয়ন পরিষদে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

28 Aug 26 1NOJOR.COM

নীলগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদে কর আদায়ের সাড়ে তিন লাখ টাকার বেশি হিসাব নিয়ে প্রশ্ন

নিউজ সোর্স

নীলগঞ্জ ইউপির বাকি টাকা গেল কোথায়

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদে চলতি বছরের হোল্ডিং বা খানা ট্যাক্স আদায়ে বড় ধরনের গরমিলের অভিযোগ উঠেছে। ইউনিয়নের নয়টি ওয়ার্ড থেকে ৯ লাখ টাকার বেশি ট্যাক্স আদায় হলেও পরিষদের হিসাবে জমা হয়েছে মাত্র ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা—এমন অভিযোগ করেছেন

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।