Web Analytics

আলজেরিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপে লিওনেল মেসির হ্যাটট্রিকের দিনে ঢাকায় হাজারো সমর্থক একত্রিত হয়ে আর্জেন্টিনার জয় উদযাপন করেন। পুরো শহর নীল-সাদা রঙে ভরে ওঠে, পতাকা, গান ও উল্লাসে মুখরিত হয় রাস্তাঘাট। বুয়েনস আয়ার্স থেকে প্রায় ১৭ হাজার কিলোমিটার দূরে থেকেও বাংলাদেশের রাজধানী যেন আর্জেন্টিনার আবেগে একাত্ম হয়ে ওঠে।

বাংলাদেশে আর্জেন্টিনার জনপ্রিয়তার সূচনা ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপ থেকে, যখন দিয়েগো ম্যারাডোনার জাদুকরি খেলা স্থানীয় ভক্তদের মুগ্ধ করে। সাবেক ফুটবলার শফিকুল ইসলাম মানিকের মতে, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জয় ও ম্যারাডোনার আবেগপূর্ণ পারফরম্যান্সই এই ভালোবাসার সূচনা ঘটায়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আর্জেন্টিনা ব্রাজিলের সমর্থনপ্রবণতাকে চ্যালেঞ্জ করে একটি গভীর আবেগের প্রতীক হয়ে ওঠে।

২০২২ সালের বিশ্বকাপে বাংলাদেশের উচ্ছ্বসিত সমর্থনের পর ২০২৩ সালে ৪৫ বছর পর ঢাকায় দূতাবাস পুনরায় চালু করে আর্জেন্টিনা। কর্মকর্তারা মনে করেন, ফুটবল দুই দেশের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করেছে। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে ৪ জুলাই বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচ ঘিরে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

02 Jul 26 1NOJOR.COM

বাংলাদেশে আর্জেন্টিনার প্রতি ফুটবল ভালোবাসা প্রজন্ম পেরিয়ে কূটনীতিতেও প্রভাব ফেলছে

নিউজ সোর্স

ম্যারাডোনা থেকে মেসি: আর্জেন্টাইন ফুটবলাররা কেন এত জনপ্রিয় বাংলাদেশে! | আমার দেশ

আমার দেশ অনলাইন
প্রকাশ : ০২ জুলাই ২০২৬, ১৭: ৫৩আপডেট : ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮: ০৯
বিশাল স্ক্রিনটি তখন বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু হাজারো সমর্থক তখনও চিৎকার করে চলেছে, ‘আর্জেন্টিনা, আর্জেন্টিনা! মেসি, মেসি!’। পুরো এলাকা তখন নীল-সাদা রঙের সমুদ্র!
যেদিন লিওনেল মেসি

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।