Web Analytics

২০২৬ সালের ৩০ জুন প্রকাশিত এক বিশ্লেষণধর্মী নিবন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলা হয়েছে, প্রবল সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপের মুখেও ইরান ভেঙে পড়েনি এবং আলোচনায় নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে। নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে, সামরিক স্থাপনা ও অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ইরান ভূগোল, সস্তা প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ও আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের ওপর কৌশলগত ও অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেছে।

বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র আকাশশক্তি ও গোয়েন্দা সক্ষমতায় শ্রেষ্ঠত্ব দেখালেও যুদ্ধের ব্যয় ছিল বিপুল। কয়েক বিলিয়ন ডলার খরচের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ মুদ্রাস্ফীতি ও করের বোঝা বহন করেছে, অথচ অস্ত্রশিল্প লাভবান হয়েছে। লেখক সাবেক প্রেসিডেন্ট আইজেনহাওয়ারের সতর্কবার্তা স্মরণ করিয়ে দেন যে সামরিক-অস্ত্রশিল্প আঁতাত গণতান্ত্রিক সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে।

বাংলাদেশের জন্য শিক্ষা হিসেবে নিবন্ধে বলা হয়েছে, শক্তিশালী প্রতিবেশীর সঙ্গে সামরিক সমতা সম্ভব নয়, তবে সস্তা দেশীয় প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, উপকূল ও সাইবার নিরাপত্তা এবং অভ্যন্তরীণ ঐক্য গড়ে তোলা জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার কার্যকর উপায় হতে পারে।

30 Jun 26 1NOJOR.COM

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত থেকে বাংলাদেশের জন্য কৌশলগত প্রতিরক্ষা শিক্ষা

নিউজ সোর্স

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ থেকে বাংলাদেশের শিক্ষা | আমার দেশ

মহিউদ্দিন আহমেদ
প্রকাশ : ৩০ জুন ২০২৬, ১২: ১৫আপডেট : ৩০ জুন ২০২৬, ১২: ৩৫
একটি দেশের বিমানবাহিনী অতিশয় পুরোনো, অর্থনীতি নিষেধাজ্ঞায় ক্ষতবিক্ষত, নেতৃত্ব কাঠামো হামলার ঝুঁকিতে—চারদিক থেকে সামরিক চাপ, আকাশে শত্রুর আধিপত্য। তাহলে কি তার পতন শুধু সময়ের অপ

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।