Web Analytics

আমার দেশের সহকারী সম্পাদকের লেখা একটি মতামত নিবন্ধে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা, পাঠ্যপুস্তক ও জাতীয় শিক্ষানীতি আমূল পরিবর্তনের আহ্বান জানানো হয়েছে। লেখাটিতে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে প্রণীত ২০১০ সালের শিক্ষানীতি ১৯৭৪ সালের কুদরাত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশনের প্রতিবেদনের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল ছিল এবং বর্তমান প্রজন্মের প্রয়োজন মেটাতে তা যথেষ্ট নয়।

লেখক কুদরাত-এ-খুদা কমিশনের ধর্মীয় ও মাদরাসা শিক্ষাবিষয়ক দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনা করেছেন। তাঁর মতে, এতে মাদরাসা শিক্ষার স্বাতন্ত্র্য কমানো এবং ধর্মীয় শিক্ষাকে অবহেলা করা হয়েছিল। নিবন্ধে আরও বলা হয়েছে, ২০১০ সালের নীতির আওতায় সাধারণ শিক্ষার বিষয় বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত পাঠ্যক্রমের চাপ পড়ে এবং মাদরাসা নেতাদের আন্দোলনের পর কিছু সংশোধন করা হয়।

নিবন্ধে বলা হয়েছে, জুলাই অভ্যুত্থানের পর পাঠ্যবইয়ে কিছু পরিবর্তন এলেও তা যথেষ্ট নয়। লেখক নতুন ও সময়োপযোগী শিক্ষা কমিশন গঠন, নতুন প্রজন্মের সঙ্গে ব্যাপক আলোচনা এবং বিভিন্ন দেশের শিক্ষাব্যবস্থা পর্যালোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন। এআই ও প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে পরিচিত ব্যক্তিদের নীতিনির্ধারণে রাখার কথাও বলা হয়েছে।

25 Oct 26 1NOJOR.COM

মতামত নিবন্ধে নতুন শিক্ষা কমিশন ও পাঠ্যবইয়ের আমূল সংস্কারের আহ্বান

নিউজ সোর্স

আওয়ামী শিক্ষানীতি আর কতকাল চলবে

বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানের চারটি মূলনীতির অন্যতম একটি ছিল ধর্মনিরপেক্ষতা। এই ধর্মনিরপেক্ষতা বা সেক্যুলারিজমের ভিত্তিতেই প্রণীত হয় বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের রিপোর্ট, যা ড. কুদরাত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশন নামে পরিচিত। ১৯৭৪ সালে প্রণীত সেই কমিশনের রিপো

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।