Web Analytics

মে-জুনের তীব্র খরার পর জুলাই-আগস্টের টানা বৃষ্টিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় এবার পাটের ফলন ভালো হয়েছে বলে চাষিরা জানিয়েছেন। অনেক এলাকায় ফলন প্রত্যাশা ছাড়িয়েছে এবং তুলনামূলক ভালো দামের কারণে আগের কয়েক বছরের লোকসান পুষিয়ে নেওয়ার আশা তৈরি হয়েছে। তবে শ্রমিক ও উপকরণের ব্যয় বাড়ায় উৎপাদন খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করাই চাষিদের প্রধান দাবি।

বাংলাদেশ বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন পাট উৎপাদন করে এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পাট উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রায় ৪০ লাখ কৃষক পাট চাষের সঙ্গে যুক্ত, আর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় চার কোটি মানুষ এ খাত থেকে জীবিকা নির্বাহ করেন। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পাট ও পাটপণ্যের রপ্তানি পৌনে ৮ শতাংশ বেড়ে ৮৮ কোটি ডলারে পৌঁছেছে, যদিও রপ্তানিকারকদের মতে মূল্যবৃদ্ধির কারণে ডলারের হিসাবে আয় বেড়েছে, পরিমাণে নয়।

কাঁচা পাটের রপ্তানি ৭৭ শতাংশ কমে ৩৮ হাজার টনে নেমেছে, তবে পাটের বস্তা ও সুতার রপ্তানি বেড়েছে। চাষি সংগঠনগুলো মণপ্রতি ৪,৫০০ থেকে ৬,০০০ টাকা দাম এবং সরকারি ক্রয়ের দাবি জানিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বহুমুখী পাটপণ্য, নতুন বাজার, কাঁচামালের সরবরাহ ও চীনের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

09 Sep 26 1NOJOR.COM

ভালো পাট ফলনের মধ্যেও বাড়তি খরচ সামলাতে ন্যায্যমূল্যের দাবি চাষিদের

নিউজ সোর্স

সোনালি আঁশে নতুন সম্ভাবনা, কৃষকের চাওয়া ন্যায্যমূল্য

দাম নিয়ে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া থাকলেও এবার দেশের বিভিন্ন জেলায় পাটের ভালো ফলনে খুশি চাষিরা। মে-জুনের তীব্র খরার পর জুলাই-আগস্টে টানা বর্ষণে অনেক এলাকায় ফলন প্রত্যাশা ছাড়িয়েছে। পাশাপাশি বাজারে দামও তুলনামূলক ভালো হওয়ায় গত কয়েক বছরের লোকসান পুষিয়ে

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।