Web Analytics

২০২৬ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত সরদার ফরিদ আহমদের একটি মতামত নিবন্ধে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের আসন্ন গণভোট জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণের এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। লেখক যুক্তি দেন, এই ভোটে ‘হ্যাঁ’ মানে সংস্কার ও নতুন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার সূচনা, আর ‘না’ মানে অতীতের স্বৈরাচার, ভয় ও নৈতিক দেউলিয়াত্বে ফিরে যাওয়া। তাঁর মতে, এই গণভোটে নীরবতা বা নিরপেক্ষতা মানে অন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেওয়া এবং যারা পরিবর্তনের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছে তাদের রক্তকে অস্বীকার করা।

নিবন্ধে ‘না’-কে পুরোনো আধিপত্য, দুর্নীতি ও নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, আর ‘হ্যাঁ’-কে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, প্রশাসনিক জবাবদিহি, মুক্ত সংবাদমাধ্যম ও জাতীয় আত্মনির্ভরতার প্রতিশ্রুতি হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। লেখক হান্না আরেন্ট, রবার্ট ডাল ও জুয়ান লিন্‌জের রাজনৈতিক তত্ত্ব উদ্ধৃত করে গণভোটকে জবাবদিহি ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নের সঙ্গে যুক্ত করেছেন। তিনি তরুণ ভোটারদের পরিবর্তনের চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যারা স্বৈরতন্ত্র বা বাহ্যিক প্রভাব মেনে নিতে রাজি নয়।

নিবন্ধের উপসংহারে বলা হয়েছে, এই গণভোট কেবল রাজনৈতিক নয়, এটি বাংলাদেশের নৈতিক সাহস ও সংস্কারের প্রতি অঙ্গীকারের পরীক্ষা।

11 Feb 26 1NOJOR.COM

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানে সংস্কার, ‘না’ মানে অতীতের স্বৈরাচারে ফেরার প্রতীক

নিউজ সোর্স

‘না’ মানে অতীত, ‘হ্যাঁ’ মানে বাংলাদেশ | আমার দেশ

সরদার ফরিদ আহমদ
প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০: ১৮
সরদার ফরিদ আহমদ
গণভোট একটি সাধারণ প্রশ্ন নয়। এটি কাগজে ছাপা দুটি শব্দের লড়াইও নয়। এটি রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে জনগণের চূড়ান্ত অবস্থান।
এই গণভোটে কেউ কেউ নীরব। নীরবতা এখানে নিরপেক্ষতা নয়। নীরবতা এখানে

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।