Web Analytics

আমার দেশ-এ প্রকাশিত এক মতামত নিবন্ধে জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের প্রাক্কালে সাংবাদিকদের দুটি প্রকাশ্য ঘটনার মূল্যায়ন করা হয়েছে। নিবন্ধটি ২৪ জুলাই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের বৈঠক এবং ২৭ জুলাই জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আওয়ামীপন্থি সাংবাদিক সংগঠনগুলোর সমাবেশকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। লেখাটি এসব বক্তব্যকে রাজনৈতিক অবস্থানের প্রতিফলন হিসেবে বিবেচনা করার যুক্তি তুলে ধরে।

নিবন্ধে বাসসের প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বৈঠকে ৩২ জন সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন এবং তারা শেখ হাসিনার সঙ্গে থাকার ও প্রয়োজনীয় যেকোনো কিছু করতে প্রস্তুত থাকার কথা বলেন। আলোচনায় নাশকতার ঘটনায় অপরাধীদের ছাড় না দেওয়া, আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করা এবং জনপ্রতিনিধিদের কর্মকাণ্ড মূল্যায়নের বিষয়ও ওঠে। বিভিন্ন সম্পাদক ও সাংবাদিকের বক্তব্য, উপস্থিতি এবং অনুষ্ঠানের আয়োজক-সঞ্চালকদের নামও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

লেখাটিতে ২৭ জুলাইয়ের সমাবেশে সরকার নির্দেশিত পদক্ষেপের প্রতি সমর্থন, সহিংসতার নিন্দা এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি তুলে ধরা হয়। লেখক সোসাইটি অব প্রফেশনাল জার্নালিস্টস, ইউনেস্কো এবং বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের নীতিমালার উল্লেখ করে বলেন, সাংবাদিকতার বিশ্বাসযোগ্যতা নির্ভর করে সত্য অনুসন্ধান, স্বাধীনতা, বস্তুনিষ্ঠতা ও অযাচিত পক্ষপাত এড়ানোর ওপর।

05 Aug 26 1NOJOR.COM

জুলাই ২০২৪-এর দুটি ঘটনায় সাংবাদিকদের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে মতামত নিবন্ধটি

নিউজ সোর্স

হাসিনার গণহত্যার সহযোগীরা যখন সাংবাদিক | আমার দেশ

সরদার ফরিদ আহমদ
প্রকাশ : ০৫ আগস্ট ২০২৬, ১৩: ০৫
জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের প্রাক্কালে সংঘটিত দুটি ঘটনা বাংলাদেশের সাংবাদিকতার ইতিহাসে গভীর বিতর্কের জন্ম দেয়। প্রথমটি, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে একদল জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, সম্পাদক ও কলামিস্ট

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।