Web Analytics

বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বেসরকারি ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়েছে সরকার। ব্যাংকের মালিকানা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক টানাপোড়েনের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সরকারি দল ও প্রধান বিরোধী দলের মুখোমুখি অবস্থান ব্যাংকটিকে অচলাবস্থায় ফেলেছিল। ব্যাংক নির্বাহীদের সংগঠন এবিবি গভর্নরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে উদ্বেগ জানালে তিনি বিষয়টিকে রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবে স্বীকার করেন। লেখকের মতে, ব্যাংকিং খাতের রাজনীতিকীকরণ সুশাসনের জন্য অশুভ এবং আন্তর্জাতিক মহলেও অস্বস্তি সৃষ্টি করবে।

প্রবন্ধে বলা হয়, অতীতে এস আলম নামে এক ব্যবসায়ীকে ব্যাংকের মালিকানা দিতে রাষ্ট্রীয় সংস্থা ব্যবহার করা হয়েছিল এবং তিনি বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার ব্যাংক পুনর্গঠন করে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনলেও নির্বাচিত সরকারের আমলে আবার অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। লেখক সতর্ক করেছেন, ব্যাংকিং খাতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও বৈদেশিক ঋণ আলোচনায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি পরামর্শ দিয়েছেন, সরকার যেন লুট হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধার, দক্ষ পরিচালনা পর্ষদ নিয়োগ এবং তারল্য সংকট মোকাবিলায় পদক্ষেপ নেয়। ব্যাংকিং খাতকে রাজনীতির বাইরে না রাখলে রেমিট্যান্স প্রবাহ ও সামগ্রিক অর্থনীতি ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

17 Jun 26 1NOJOR.COM

রাজনৈতিক টানাপোড়েনে ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড ভেঙে দিল সরকার, অর্থনীতি নিয়ে উদ্বেগ

নিউজ সোর্স

অর্থনীতিকে রাজনৈতিক কূটচালের বাইরে রাখুন | আমার দেশ

মাহমুদুর রহমান
প্রকাশ : ১৭ জুন ২০২৬, ০৮: ৩৭আপডেট : ১৭ জুন ২০২৬, ০৯: ০৯
শেষ পর্যন্ত সরকার ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিতে বাধ্য হয়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যা সৃষ্টির দায় সরকারের ওপরই বর্তায়। রাজনৈতিক সুবিধাবাদিতা দেশের বৃহত্তর অর্থনৈতিক স্বার

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।