Web Analytics

নিবন্ধটিতে ২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৬৫ সালে ১৭ দিনের পাক-ভারত যুদ্ধ শেষ হওয়ার কথা উল্লেখ করে ওই সংঘাতে বাঙালি সামরিক সদস্যদের ভূমিকা তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ১ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট বা সিনিয়র টাইগার্স লাহোর ফ্রন্টের বেদিয়ান ও বিআরবি খালের মতো সংবেদনশীল সেক্টর রক্ষায় ভারতীয় পদাতিক ও ট্যাংক বহরের আক্রমণ প্রতিহত করে। লেখাটিতে এই ভূমিকার মাধ্যমে বাঙালি সৈনিকদের সাহস ও রণকৌশলের স্বীকৃতির কথা বলা হয়েছে।

লেখা অনুযায়ী, লে. কর্নেল আবু তাহের খায়রুল হকের নেতৃত্বে ব্যাটালিয়নটির চারটি রাইফেল কোম্পানি ছিল। তারা লাহোরে প্রবেশের সেতু ও সড়ক ধ্বংস করে ভারতীয় অগ্রযাত্রা থামিয়ে দেয় বলে নিবন্ধে দাবি করা হয়েছে। নায়েক তাজুল ইসলাম মরণোত্তর তামঘা-ই-জুরাত পান। লে. কর্নেল এ টি কে হক ও ক্যাপ্টেন জিয়াউর রহমানও বীরত্বসূচক পদক লাভ করেন। নিবন্ধে বলা হয়েছে, ইউনিটটি মোট ১৫টি পদক পেয়ে সে যুদ্ধে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ পদকপ্রাপ্ত ইউনিট হয়।

নিবন্ধে স্কোয়াড্রন লিডার মোহাম্মদ মাহমুদুল আলম ও ফ্লাইট লে. সাইফুল আজমের ভূমিকার কথাও বলা হয়েছে। এতে ১৯৬৫ সালের সামরিক অভিজ্ঞতাকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি কর্মকর্তাদের পরবর্তী ভূমিকার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে এবং এই ইতিহাসকে আরও ব্যাপকভাবে পরিচিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

22 Sep 26 1NOJOR.COM

নিবন্ধে ১৯৬৫ যুদ্ধে বাঙালি সৈনিক ও বৈমানিকদের ভূমিকা তুলে ধরা হয়েছে

নিউজ সোর্স

বাঙালির অবিস্মরণীয় গৌরবময় অধ্যায়

২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৬৫। এ দিনেই অবসান ঘটেছিল ১৭ দিনব্যাপী রক্তক্ষয়ী পাক-ভারত যুদ্ধের, যা উপমহাদেশের রণ-ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায় হিসেবে খোদিত হয়ে আছে। এই যুদ্ধে সমগ্র রণক্ষেত্রের মধ্যে সবচেয়ে কৌশলগত ও ঝুঁকিপূর্ণ ছিল লাহোর ফ্রন্ট। সেখানে ভারতীয় বাহিন

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।